হ্যাটট্রিকের সামনে ‘রক্ষণশীল’ কৌশল বাংলাদেশের

২০১১ সালে চট্টগ্রামে রোমাঞ্চে ঠাসা রান তাড়ায় ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১৫ সালেও ফের রোমাঞ্চ আর উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচ। সেবার অ্যাডিলেডে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সেঞ্চুরি আর রুবেলের হোসেনের শেষের স্পেলে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার কার্ডিফে ইংল্যান্ডকে বিশ্বমঞ্চে টানা তিনবার হারানোর সুযোগ মাশরাফি বিন মর্তুজার দলের। এই সুযোগ নিতে মরিয়া বাংলাদেশ অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে ইংলিশদের শক্তি মাথায় নিয়েছে নতুন কৌশল।

২০১১ সালে চট্টগ্রামে রোমাঞ্চে ঠাসা রান তাড়ায় ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১৫ সালেও ফের রোমাঞ্চ আর উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচ। সেবার অ্যাডিলেডে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সেঞ্চুরি আর রুবেল হোসেনের শেষের স্পেলে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার কার্ডিফে ইংল্যান্ডকে বিশ্বমঞ্চে টানা তিনবার হারানোর সুযোগ মাশরাফি বিন মর্তুজার দলের। এই সুযোগ নিতে মরিয়া বাংলাদেশ অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে ইংলিশদের শক্তির কথা মাথায় রেখে নিয়েছে নতুন কৌশল।

বিশ্বকাপে এর আগে মোট তিনবার মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড আর বাংলাদেশ। ইংল্যান্ড জিততে পেরেছে কেবল ২০০৭ সালে। বাকি দুটিতেই বাংলাদেশের বিখ্যাত জয়। তবে এবার ‘রক্ষণশীল’ মেজাজের সেই ইংল্যান্ড দল আর নেই। বর্তমানে ক্রিকেটবিশ্বে সবচেয়ে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলে তারা। শক্তির বিচারে তাই ঢের এগিয়ে ইয়ন মরগানরা। আগ্রাসী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের তরিকা তাই ‘রক্ষণশীল’ ক্রিকেট। মাশরাফি বলেছেন, তাদের বিপক্ষে রক্ষণই নাকি আসল আক্রমণ!

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো রেকর্ড আছে। যে মাঠে খেলা হবে সে কার্ডিফে সুখস্মৃতি আছে বাংলাদেশের। তবে অধিনায়ক মাশরাফি মনে করছেন, এসব আসলে কেবলই পরিসংখ্যান। আদতে এতে কোনো কাজই হবে না, ‘আগের দুই বিশ্বকাপের জয় এবার কোনো কাজে লাগবে না। ওই দুই ম্যাচে হারলেও তার প্রভাব থাকত না। নতুন ম্যাচ, দুদলই প্রথম বল থেকে শুরু করবে। উভয় দলের জন্যই ভালো শুরু করা জরুরি।’

কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেন্সে ম্যাচের আগের দিন শুক্রবার (৭ জুন) বৃষ্টি থাকায় দুদলই ঠিকমতো অনুশীলন করতে পারেনি। তবে একে অন্যের শক্তি-দুর্বলতা খতিয়ে দেখেছে। মরগান যেমন ভাবছেন এই বাংলাদেশ দলের ক্ষমতা আছে যেকোনো কিছুই করার, মাশরাফি আবার ইংলিশদের বিপক্ষে রক্ষণকেই মনে করছেন আক্রমণের মূল অস্ত্র হিসেবে, ‘ইংল্যান্ড যে ধরনের ক্রিকেট খেলে, ওদের সঙ্গে ডিফেন্সই অফেন্স হবে। ওরা শেষ চার বছরে যে কোনো অবস্থায়ই আক্রমণাত্মক মানসিকতায় থেকেছে। সবসময় চায় সাড়ে তিনশো বা চারশো রানের কাছাকাছি করতে, যেন অন্য দলের সুযোগ না থাকে। আমাদেরও আলোচনা হয়েছে যে, ইংল্যান্ড সবসময় আগ্রাসী থাকবে, তো ওদের ক্ষেত্রে ডিফেন্স অনেক সময় অফেন্স।’

ম্যাচের ফল নিজেদের পক্ষে আনতে চান বটে, তবে খেলার আগেই মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে এগোতে চাইলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক। স্বাগতিকদের সবদিক থেকে এগিয়ে অতীত পরিসংখ্যান অতীতেই রাখতে চান তিনি, ‘হ্যাঁ, আমরা গত দুই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছি। তার মানে এই নয় যে আবারও সবকিছু আগের মতোই হবে। অবশ্যই সুযোগ আছে, আমরা জয়ের জন্যই মাঠে নামব। তার জন্য আমাদের সেরাটা খেলতে হবে।’

Comments