‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নফাঁসে জড়িত ঢাবির ৮৭ ছাত্রের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযোগপত্র

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ১২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে। ২০১৭ সালের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির ওই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ৮৭ জন শিক্ষার্থীর নাম এসেছে এতে।
DU logo

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ১২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে। ২০১৭ সালের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির ওই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ৮৭ জন শিক্ষার্থীর নাম এসেছে এতে।

এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট সুপারিন্টেনডেন্ট সুমন কুমার দাস ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ঘটনার পর প্রায় দেড় বছর তদন্ত শেষে আজ এই চার্জশিট দেওয়া হলো।

প্রশ্নফাঁসের ঘটনার মূল হোতা অলিপ কুমার বিশ্বাসসহ অভিযুক্তদের মধ্যে ৪৭ জনকে বিভিন্ন সময় গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। অলিপ কুমার বিশ্বাস বিকেএসপির সহকারী পরিচালক ছিলেন। অভিযোগ ওঠার পর তাকে বরখাস্ত করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা এখন জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

সিআইডি সূত্রগুলো জানায়, গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে ৪৬ জনই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে তাদের অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। বাকি ৭৮ আসামি পলাতক রয়েছেন।

এদের বাইরে অসদুপায়ে ভর্তি হওয়া ৮৯ জন ঢাবি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়ার অনুমতি চেয়েছে সিআইডি। জালিয়াত চক্রের সহায়তায় ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এই শিক্ষার্থীদের পরিচয় যাচাই করে দেখছেন তদন্তকারীরা।

২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি হলে প্রথম অভিযানে মহিউদ্দিন রানা ও আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছিল সিআইডি। এদের মধ্যে মহিউদ্দিন রানা সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সম্পাদক ও আব্দুল্লাহ আল মামুন অমর একুশে হল শাখা ছাত্রলীগের নাটক ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক। এবছরের জানুয়ারি মাসে তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন।

এই দুজন ছাড়াও গত বছরের জানুয়ারিতে প্রশ্নফাঁস ও ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে ১৫ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছিল। ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের পর জালিয়াতিতে জড়িত পুরো একটি চক্রের সন্ধান পায় পুলিশ।

Comments