চলতি মৌসুমে নেইমারকে আর ফেরাতে পারছে না বার্সা!

প্যারিস সেইন্ত জার্মেইতে (পিএসজি) আর মন টিকছে না ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারের। ফিরতে চান বার্সেলোনায়। আকারে ইঙ্গিতে এ কথা অনেকবারই বলেছেন তিনি। এ নিয়ে দেন দরবারও হয়েছে দুই ক্লাবের মধ্যে। কিন্তু চলতি মৌসুমে আর নেইমারকে আনার মতো অবস্থায় নেই কাতালান ক্লাবটি। এমনটাই জানিয়েছেন ক্লাবটির সহ-সভাপতি জর্দি কারদোনের।
neymar
ফাইল ছবি

প্যারিস সেইন্ত জার্মেইতে (পিএসজি) আর মন টিকছে না ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারের। ফিরতে চান বার্সেলোনায়। আকারে ইঙ্গিতে এ কথা অনেকবারই বলেছেন তিনি। এ নিয়ে দেন দরবারও হয়েছে দুই ক্লাবের মধ্যে। কিন্তু চলতি মৌসুমে আর নেইমারকে আনার মতো অবস্থায় নেই কাতালান ক্লাবটি। এমনটাই জানিয়েছেন ক্লাবটির সহ-সভাপতি জর্দি কারদোনের।

টিভিথ্রিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেইমারের বার্সেলোনা ফেরা প্রসঙ্গে কারদোনের বলেছেন, 'নেইমার? সে তার দলে সুখে নেই। কিন্তু এ মুহূর্তে তাকে প্যারিসেই কোন সমাধান বের করতে হবে। আজ পর্যন্ত, আমরা তাকে ফেরানোর ব্যাপার থেকে পিছিয়ে আসছি। আর যদি কোনো দিন এখানে নেইমারের ব্যাপার থাকে, আমরা কথা বলব।'

অথচ, স্প্যানিশ গণমাধ্যম স্পোর্তের সংবাদ অনুযায়ী, পিএসজিতে আর খেলতে চান না, এ কথা ক্লাবকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন নেইমার। ট্রান্সফার উইন্ডো শেষ হবার আগেই তার দলবদল চূড়ান্ত না করলে পিএসজির হয়ে আর খেলবেন না বলেই জানিয়েছিলেন এ ব্রাজিলিয়ান। তবে তাকে ধরে রাখতে চীনে গিয়ে তাকে বুঝিয়েছেন ক্লাবের ক্রীড়া পরিচালক লিওনার্দো। এছাড়া সতীর্থ কিলিয়েন এমবাপেও অনুরোধ করেছেন থেকে যাওয়ার। 

তবে গণমাধ্যমটি আরও জানিয়েছিল, যদি আগামী গ্রীষ্মে তাকে ছাড়ার বিষয়ে কোন চুক্তি করে তাহলে হয়তো আরও এক মৌসুম পিএসজির হয়ে খেলতে রাজী হবেন নেইমার। ধারণা করা হচ্ছে এমন কোন চুক্তি হতেও পারে ক্লাবটির সঙ্গে। কারণ বার্সা সহ-সভাপতি কারদোনেরও কথার ফাঁক রেখেছেন। সুযোগ থাকলে আগামীতে তাকে ফেরানোর বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

২০১৭ সালের গ্রীষ্মের দলবদলে রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে নাম লেখান নেইমার। মূলত মেসির ছায়া থেকে মুক্তি পেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে উল্টো তরুণ এমবাপের ছায়ায় ঢাকা পড়েছেন এ ব্রাজিলিয়ান। তার উপর গত মৌসুমে একের পর এক কাণ্ডে হয়েছেন সমালোচিত। যার জন্য তার উপর ক্লাবটির কোচ-কর্মকর্তারাও অসন্তুষ্ট। ক্লাবটির মালিক নাসের আল-খেলাইফির তো চক্ষুশূলে পরিণত হয়েছেন।

Comments

The Daily Star  | English

Death is built into our cityscapes

Why do authorities gamble with our lives?

7h ago