গুমের ঘটনাগুলো তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠনের দাবি

‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিভিন্ন সময়ে নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের প্ল্যাটফর্ম ‘মায়ের ডাক’।
Disappearance
৩০ আগস্ট ২০১৯, নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের প্ল্যাটফর্ম ‘মায়ের ডাক’ এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ছবি: আনিসুর রহমান/স্টার

‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিভিন্ন সময়ে নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের প্ল্যাটফর্ম ‘মায়ের ডাক’।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও অনুষ্ঠানে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুলসহ বিশিষ্ট নাগরিক ও মানবাধিকার কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “প্রতিবছর আমরা এই আলোচনা অনুষ্ঠানে আসি এবং একইরকম হতাশাগ্রস্ত মুখগুলো দেখি। কিন্তু ন্যায়বিচারের জন্য আমাদের আহ্বান ক্ষমতাসীনদের কানে পৌঁছায় না।”

“গুমের ঘটনাগুলো তদন্তের জন্য আমরা স্বাধীন কমিশন গঠন ও  ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাই”, বলেন তিনি।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী বলেন, “আপনি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন করতে যাচ্ছেন। জাতির প্রতি সবচেয়ে ভালো উপহার হবে, যারা গুম হয়েছেন তাদের সবাইকে জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া।”

২০১৩ সালে গুম হওয়া বিএনপি কর্মী সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন মারুফা ইসলাম ফেরদৌসি বলেন, “বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভোগা মা এখনও সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। মরার আগে শেষবারের মতো ওকে দেখে যেতে চান। তবে আমার ভাইকে বোধ হয় মা আর দেখে যেতে পারবেন না।”

“একবারের জন্য হলেও মা যেনো সন্তানকে দেখে যেতে পারেন” সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ভাইকে ফিরিয়ে দেওয়ার এমন আকুতি জানিয়েছেন তিনি।

তিন বছরেরও অধিক সময় ধরে নিখোঁজ ছাত্রলীগ কর্মী মোজ্জাম্মেল হোসেন তপুর মা বলেন, “আমার মতো দেশে অনেক মা’ই তার সন্তানকে হারিয়ে অবর্ণনীয় দুঃখের দিন পার করছেন।”

“একটি স্বাধীন দেশে এ ধরণের পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে না”, বলেন তিনি।

Comments

The Daily Star  | English

Khulna city waterlogged after 55mm rain in 3hrs

A torrential downpour lasting around three hours this morning left most roads and low-lying areas of Khulna city submerged, causing significant suffering for residents

13m ago