প্রকল্প কাজে কেনো দেরি হয় তার সমাধান বের করতে হবে: পরিকল্পনামন্ত্রী

প্রকল্প কাজে কেনো দেরি হয় তার সমাধান বের করতে হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি আরো বলেন, সময়মত প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। আবার শেষ সময়ে তাড়াহুড়া করে মান ক্ষুণ্ণ করা যাবে না।
Planning minister
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে চট্টগ্রাম বিভাগে বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরীকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ছবি: সংগৃহীত

প্রকল্প কাজে কেনো দেরি হয় তার সমাধান বের করতে হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি আরো বলেন, সময়মত প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। আবার শেষ সময়ে তাড়াহুড়া করে মান ক্ষুণ্ণ করা যাবে না।

শূন্য অগ্রগতি সম্পন্ন প্রকল্পকে দুর্বল প্রকল্প হিসেবে অভিহিত করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দুর্বল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হওয়া সম্মানের বিষয় নয়। মান বজায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রকল্প কাজে গাফিলতি বা সময় ক্ষেপণ করা যাবে না।

আজ (২২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত চট্টগ্রাম বিভাগে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বিভাগে মোট প্রকল্প সংখ্যা ১৯৩টি। এসব প্রকল্পের মোট ব্যয় ১২ হাজার ৮০৬ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা যা মোট এডিপির বরাদ্দের ১০ দশমিক ১৫ শতাংশ।

আজকের সভায় ১০৪টি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে শূন্য অগ্রগতিসম্পন্ন প্রকল্প ১২টি, ধীর অগ্রগতিসম্পন্ন প্রকল্প ৩১টি এবং তুলনামূলকভাবে ভালো অগ্রগতি সম্পন্ন প্রকল্প ৬১টি।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে হুইপ শামসুল হক চৌধুরী, সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, রেল মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, সংসদ সদস্য ওয়াসেকা আয়শা খান, বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়েজউল্লা, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সাবিক) শংকর রঞ্জন সাহাসহ প্রকল্প পরিচালকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

Comments