এক দিনে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৭১ শতাংশ

দেশের খুচরা বাজারে এক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম এক লাফে ৭১ শতাংশ বেড়ে গেছে। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর নিত্যপ্রয়োজনীয় এই রান্নার উপকরণের দাম গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
ছবি: আকন্দ মুহাম্মদ জাহিদ

দেশের খুচরা বাজারে এক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম এক লাফে ৭১ শতাংশ বেড়ে গেছে। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর নিত্যপ্রয়োজনীয় এই রান্নার উপকরণের দাম গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সোমবার ঢাকার বিভিন্ন বাজারে প্রকারভেদে পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে যা আগের দিনের দামের তুলনায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেশি।

রাজধানীর শুক্রাবাদ কাঁচাবাজারে আসা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আল আমিন বলেন, এক কেজি দেশি পেঁয়াজ কিনতে তাকে ১১৫ টাকা দিতে হয়েছে। এক দিন আগেও এই পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৭০ টাকা ছিল। এই বাজারের খুচরা বিক্রেতা মো. সুলতান ইসলাম জানান, দেশি ও ভারতীয় দুই ধরনের পেঁয়াজই তারা সমান দামে বিক্রি করছেন। মোহাম্মদপুরের কৃষি বাজারে পাইকারি দরে কেজিপ্রতি ৯০ থেকে ৯৫ টাকায় পেঁয়াজ কিনতে হয়েছে তাদের।

“গত কয়েক বছরের মধ্যে এটাই পেঁয়াজের সর্বোচ্চ দাম,” যোগ করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মোহাম্মদপুর কাঁচা বাজারের একজন খুচরা বিক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, ভারত থেকে আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পাইকারি ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কৃষি মার্কেট থেকে সকালে তাকে ৮০ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনতে হয়েছে।

আর দাম বৃদ্ধির জন্য ভারত থেকে আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়াকে দায়ী করলেও পাইকারি বাজারের বিক্রেতারা বলেছেন বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

এ ব্যাপারে কনজিউমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। ভারত থেকে আমদানি বন্ধ থাকার অজুহাত দেখিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কারসাজি করে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

Comments