চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল জেলার সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
padma_0.jpg
পদ্মা নদী। স্টার ফাইল ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল জেলার সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান ফৌজদার জানান, পদ্মা ও মহানন্দা নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা, উজিরপুর, দুর্লভপুর, মনাকষা ও ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের কিছু কিছু এলাকার ৬ হাজার ৮০৮টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে, সদর উপজেলার নারায়ণপুর, আলাতুলী, শাজাহানপুর, চরঅনুপনগর ও দেবীনগর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। দুর্গতদের সহায়তার জন্য এ পর্যন্ত মোট ১৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জ অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীতে ১৩ সেন্টিমিটার ও মহানন্দা নদীতে ৫২ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার সকালে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার ৫২ সেন্টিমিটার ও মহানন্দার পানি ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সাব ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান আজ (১ অক্টোবর) সকালে আমাদের সংবাদদাতাকে জানিয়েছেন, গত ১২ ঘণ্টায় পদ্মা নদীতে ৩ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। এখন পর্যন্ত পানি বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে, রাজশাহীর পদ্মার চরাঞ্চল থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম।

সোমবার রাত পৌনে ৮টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে প্রতিমন্ত্রী লেখেন, “পদ্মা নদীর পানি ৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়তে পারে, তারপর কমা শুরু হতে পারে।”

তিনি আরও লেখেন, “ঢাকায় কথা বলে প্রথম দফায় কিছু ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। একটু আগে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত কথা হয়েছে। আমি রাজশাহীর জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দিয়েছি গোদাগাড়ী ও পবাসহ সকল চরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হলে (প্রয়োজন হলে) মানুষ সরিয়ে মূল ভূখণ্ডে কয়েকদিনের জন্য নিয়ে আসার জন্য। এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুত এবং বাড়তি বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।”

স্থানীয় উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজগুলো করবেন বলে ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুন:

ফারাক্কার সব গেট খুলে দিয়েছে ভারত

Comments

The Daily Star  | English

Medium of education should be mother language: PM

Prime Minister Sheikh Hasina today said that the medium for education in educational institutions should be everyone's mother tongue.

2h ago