২ ঘণ্টারও কম সময়ে ম্যারাথন শেষ করলেন কিপচোগ

নিজেকে যেন প্রতি নিয়তই ছাপিয়ে যাচ্ছেন কেনিয়ার অ্যাথলেট ইলিউড কিপচোগ। ছুটতে ছুটতে গড়ে ফেললেন আরও একটি নতুন রেকর্ড। এবার দুই ঘণ্টারও কম সময়ে শেষ করলেন ম্যারাথন। ২৬.২ মাইল পথ শেষ করতে সময় লেগেছে ১ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ৪০.২ সেকেন্ডে। ইতিহাসে এই প্রথম কেউ দু’ঘণ্টার কম সময়ে ম্যারাথন শেষ করলেন।
ছবি: এএফপি

নিজেকে যেন প্রতি নিয়তই ছাপিয়ে যাচ্ছেন কেনিয়ার অ্যাথলেট ইলিউড কিপচোগ। ছুটতে ছুটতে গড়ে ফেললেন আরও একটি নতুন রেকর্ড। এবার দুই ঘণ্টারও কম সময়ে শেষ করলেন ম্যারাথন। ২৬.২ মাইল পথ শেষ করতে সময় লেগেছে ১ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ৪০.২ সেকেন্ডে। ইতিহাসে এই প্রথম কেউ দু’ঘণ্টার কম সময়ে ম্যারাথন শেষ করলেন।

ম্যারাথনের বিশ্বরেকর্ডটিও কিপচোগের দখলে। ২০১৮ সালে বার্লিনে শেষ করেছিলেন ২ ঘণ্টা ১ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে। এ বার ভিয়েনায় নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন এই দৌড়বিদ। তবে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনে এ রেকর্ডটি নথিভুক্ত হবে না। কারণ এটা একটি বেসরকারি ম্যারাথন।

ভিয়েনায় যখন ম্যারাথন শুরু হয় তখন সাত সকাল। কুয়াশা মাখা রাস্তায় শুরুর দিকের স্টেপিংয়ে কিছু সমস্যা হচ্ছিল কিপচোগের। তবে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে সেট করেছেন। পেসমেকাররাও জানিয়েছেন, প্রথম আড়াই কিলোমিটার অনেকটা পিছনেই ছিলেন কিপচোগ। তখন সবার আগে ছিলেন ত্রিনিদাদ টোবাগোর দৌড়বিদ পল স্যামুয়েল। ধীরে ধীরে গতি বাড়াতে শুরু করেন ৩৪ বছর বয়সী কিপচোগ। এরপর তিনি ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

পেসমেকারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্র্যাটার পার্কে ৯.৪ কিলোমিটারের চারটি ম্যাপ শেষ করেছেন। হিসাব বলছে প্রতি কিলোমিটার শেষ করতে কিপচোগ গড়ে সময় নিয়েছেন ২.৫০ মিনিট করে। ২.৪৮ থেকে ২.৫২ সেকেন্ড লেগেছে তার।

এর আগে ইতালি ম্যারাথনে দুই ঘণ্টার আগে ম্যারাথন শেষ করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে ব্যর্থ হয়েছেন। কিন্তু থেমে যাননি। চ্যালেঞ্জটা নিয়েছিলেন, আর শেষ পর্যন্ত তা করে দেখালেন এ দৌড়বিদ, 'আমি বিশ্বাস করতাম মানুষের কোনও সীমাবদ্ধতা নেই। চাইলে সব করা যায়। আজ প্রমাণ করতে পেরে গর্ব হচ্ছে। নিজেকে চাঁদের মাটিতে পাড়ি দেওয়া প্রথম মানুষের মতো মনে হচ্ছে। আমি সবাইকে অনুপ্রাণিত করতে চাই। আশা করি পারব।'

Comments

The Daily Star  | English

The never-ending hostility against female students

What was intended to be a sanctuary for empowerment has morphed into a harrowing ordeal for many female students

16h ago