‘সবাই খারাপ তা তো বলিনি’

এখন যারা ভালো, তারাও আমার শত্রু হয়ে গেছে। সবাই খারাপ তা তো বলিনি। যারা ভালো তারাও আমার ওপর ক্ষিপ্ত। কখনো চাইনি এমনটি ঘটুক।
ছবি: সংগৃহীত

ফারিয়া শাহরিন লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার। এই প্রতিযোগিতার পর বেশ কিছু টিভি নাটকে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন। মডেলিংয়ের সঙ্গে সামিয়া জামানের পরিচালনায় আকাশ কত দূরে নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তিন বছর ছিলেন দেশের বাইরে, পড়ালেখার জন্য। এবার দেশে ফিরেছেন। দ্য ডেইলি স্টারকে দিয়েছেন সাক্ষাৎকার।

ডেইলি স্টার: দেশে ফিরেই তো একটি কাজ করলেন, সেটা নিয়ে বলুন?

ফারিয়া শাহরিন: একটি বিজ্ঞাপন করেছি। পরিচালক এর নাম রানা। তার পরিচালনায় আগেও কাজ করেছিলাম। এবারও করা হলো। এটি জিংগেল বেইজড বিজ্ঞাপন। সবার ভালো লাগবে কাজটি।

ডেইলি স্টার: দেশে ফেরার পর নাটকের অফার কতটা পাচ্ছেন?

ফারিয়া শাহরিন: অফার তো পাচ্ছি। কিন্তু আগেও কাজ কম করেছি, এখনো কম করব। ভালো ভালো কিছু কাজ করতে চাই, হোক সংখ্যায় কম।

ছবি: সংগৃহীত

ডেইলি স্টার: ক্যারিয়ার নিয়ে কি ভাবছেন?

ফারিয়া শাহরিন: জব করতে পারি। কোম্পানিতে আবেদন করব ভাবছি। আমার ধৈর্য কম, পারব কি-না জানি না চাকরি করতে। জয়েন করার পর দেখব কতদিন করতে পারি।

ডেইলি স্টার: বিয়ে করছেন কবে?

ফারিয়া শাহরিন: এখনো কনফার্ম হইনি। দুই বছর লাগবে বিয়ে করতে। নিজের পছন্দেই বিয়ে করব। বাকিটা ওপরওয়ালার হাতে। বাসা থেকে বলা আছে তারা আমার পছন্দকে প্রায়োরিটি দেবে। তবে, বাসা থেকে বিয়ের জন্য চাপ নেই।

ডেইলি স্টার: আপনার কিছু মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশে থাকার সময় ঢাকার শোবিজ পাড়ায় বেশ আলোচনা হয়েছিল, সেই ঘটনাটি নিয়ে কিছু বলবেন?

ফারিয়া শাহরিন: অবশ্যই বলব। ওই ঘটনাকে আমি বলব একটা ভুল বোঝাবুঝি। আমি কিন্তু ওইরকম করে বলিনি। বলেছি একভাবে, একটি পত্রিকা ছেপেছে অন্যভাবে। এর জন্য কিন্তু না চাইতেই দেশে শত্রু বেড়েছিল। এখন যারা ভালো, তারাও আমার শত্রু হয়ে গেছে। সবাই খারাপ তা তো বলিনি। যারা ভালো তারাও আমার ওপর ক্ষিপ্ত। কখনো চাইনি এমনটি ঘটুক। কখনও চাইনি সবার সাথে ক্ল্যাশ লাগুক। দেখুন, আমাকে যারাই আজ চেনেন, মিডিয়ায় কাজ করার কারণেই চেনেন। সবাইকে খারাপ বলিনি। অথচ সবার সাথে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। কিছু মানুষকে মেনশন করেছি। আজও বলছি-সবাইকে মেনশন করিনি।

Comments

The Daily Star  | English

Abu sayed’s death in police firing: Cops’ FIR runs counter to known facts

Video footage shows police shooting at Begum Rokeya University student Abu Sayed, who posed no physical threat to the law enforcers, during the quota reform protest near the campus on July 16. He died soon afterwards.

10h ago