‘দুই সপ্তাহ আগে বললেও কেউ বিশ্বাস করত না’

দিল্লি মাত করে জিতেছিল বাংলাদেশ, রাজকোটে আবার স্বাগতিকরা দুর্বারভাবে ফিরে আসে সিরিজে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ নাগপুরে তাই অলিখিত ‘ফাইনাল’। দেশের ক্রিকেটে নানান ঝড়-ঝাপটা সামলে এত শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে শেষ অবধি সিরিজ জমিয়ে রাখা, সমান তালে লড়াই করা, ক্রিকেটারদের এই মানসিকতায় মুগ্ধ প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। শেষ ম্যাচের আগে তিনি বলেছেন, মুখিয়ে আছেন আরও বড় কিছুর জন্য, কিন্তু এই পর্যন্ত যা হয়েছে তাও অভাবনীয়।
Russell Domingo
রাসেল ডোমিঙ্গো। ফাইল ছবি: ফিরোজ আহমেদ

দিল্লি মাত করে জিতেছিল বাংলাদেশ, রাজকোটে আবার স্বাগতিকরা দুর্বারভাবে ফিরে আসে সিরিজে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ নাগপুরে তাই অলিখিত ‘ফাইনাল’। দেশের ক্রিকেটে নানান ঝড়-ঝাপটা সামলে এত শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে শেষ অবধি সিরিজ জমিয়ে রাখা, সমান তালে লড়াই করা, ক্রিকেটারদের এই মানসিকতায় মুগ্ধ প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। শেষ ম্যাচের আগে তিনি বলেছেন, মুখিয়ে আছেন আরও বড় কিছুর জন্য, কিন্তু এই পর্যন্ত যা হয়েছে তাও অভাবনীয়।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতকে ৭ উইকেটে হারিয়ে দেয় বাংলাদেশ। রাজকোটের পরের ম্যাচে আবার হেরে যায় ৮ উইকেটে। নাগপুরে তাই ভারত-বাংলাদেশ দুই দলই এসেছে একই প্রত্যাশা নিয়ে- সিরিজ জয়।

আগামীকাল রবিবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে হতে পারে অনেক কিছুই। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে অমন বিপর্যস্ত অবস্থা নিয়ে ভারতে এসে সমানে সমানে টেক্কা দিতে পেরেই ক্রিকেটাররা পেয়ে যাচ্ছেন বাহবা।

ক্রিকেটারদের ধর্মঘটে অচলাবস্থার পর সাকিব আল হাসানের নিষিদ্ধ হওয়া। ভঙ্গুর মনোবল নিয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মাঠে আসা এবং এক ম্যাচ জিতে লড়াইয়ে থাকা। মাত্র দুই সপ্তাহেই ঘটেছে অনেক অদল-বদল। কোচ মনে করছেন, দুই সপ্তাহ আগে তাদের দল এই অবস্থায় থাকবে, এমনটা ছিল ধারণারও বাইরে, ‘এই সফরের আগে খুব কঠিন কিছু সময় গেল। খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব দিতেই হবে। যে উদ্যম আর তাড়না তারা গত দশ দিনে দেখিয়েছে তা ছিল দুর্দান্ত। তারা নতুন কিছু করতে চেয়েছে। শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে এসেছে তাও দেশের বাইরে। দুই সপ্তাহ আগেও যদি কেউ বলতে নাগপুরে সমতা নিয়ে আমরা আসব, কেউ বিশ্বাস করত না।’

বাংলাদেশের কোচ জানান তীব্র তাড়না আর উদ্যমের ফলে পাওয়া অর্জনের তেজ শেষ ম্যাচেও হেলায় হারাতে দেবেন না তারা, ‘আমরা নিজেদের নিয়ে খুবই তৃপ্ত। কাল (রবিবার) একটা দারুণ সুযোগ। ছেলেরা রোমাঞ্চিত। দিন শেষে ভারত বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। এখানে কেউ বাংলাদেশের সুযোগ দেখবে না। কিন্তু যদি আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারি, তাহলে আমাদেরও সুযোগ থাকবে।’

Comments

The Daily Star  | English

Lifts at public hospitals: Where Horror Abounds

Shipon Mia (not his real name) fears for his life throughout the hours he works as a liftman at a building of Sir Salimullah Medical College, commonly known as Mitford hospital, in the capital.

8h ago