সৌম্যর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে হংকংকে উড়িয়ে শুরু বাংলাদেশের

ইমার্জিং এশিয়া কাপে দারুণ সূচনা পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও নাঈম ইসলামের দুর্দান্ত ব্যাটিং ও সুমন খানের বোলিং তোপে ওমানকে সহজেই হারিয়েছে তারা। ১৫৫ বল বাকি থাকতেই ৯ উইকেটের বিশাল জয় মিলেছে টাইগারদের। ফলে আসরের শুরুটা বাংলাদেশের হলো চমৎকার। দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তিশালী ভারতকে মোকাবেলা করার আগে প্রয়োজনীয় আত্মবিশ্বাস পেল দলটি।
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

ইমার্জিং এশিয়া কাপে দারুণ সূচনা পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। দুই ওপেনার সৌম্য সরকার নাঈম ইসলামের দুর্দান্ত ব্যাটিং সুমন খানের বোলিং তোপে হংকংকে সহজেই হারিয়েছে তারা। ১৫৫ বল বাকি থাকতেই উইকেটের বিশাল জয় মিলেছে টাইগারদের। ফলে আসরের শুরুটা বাংলাদেশের হলো চমৎকার। দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তিশালী ভারতকে মোকাবেলা করার আগে প্রয়োজনীয় আত্মবিশ্বাস পেল দলটি।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) দারুণ জয় পেলেও দুঃসংবাদও পেয়েছে বাংলাদেশ দল। তরুণ লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব আবারো ইনজুরিতে পড়েছেন। ডান হাতে সেলাইও পড়েছে দুটি। নিজের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে হংকংয়ের ব্যাটসম্যান কিঞ্চিৎ শাহর সোজা ড্রাইভ আটকাতে গেলে গুরুতর আঘাত পান এ স্পিনার। ফলে এ আসরে তার খেলা নিয়ে রয়েছে বড় শঙ্কা। এর আগে ত্রিদেশীয় সিরিজেও একই রকম ইনজুরিতে পড়েছিলেন তিনি। তবে সেবার বাঁ হাতে।

সাভারের বিকেএসপিতে লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আগ্রাসী বাংলাদেশের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও সৌম্য সরকার। ফলে উড়ন্ত সূচনাই পায় বাংলাদেশ। ৯২ রানের ওপেনিং জুটিতে জয়ের পথ গড়েই বিদায় নেন নাঈম। ৫২ বলে ৮টি চারের সাহায্যে ৫২ রান করেন ভারতকে শেষ টি-টোয়েন্টিতে কাঁপিয়ে দেওয়া এ ব্যাটসম্যান। তবে নাঈম বিদায় নিলেও অপর প্রান্ত আগলে রাখেন সৌম্য। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে বাকি কাজ শেষ করেই মাঠ ছাড়েন তিনি।

শান্তর সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৭২ রানের জুটি গড়েন সৌম্য। খেলেন ৮৪ রানের হার না মানা ইনিংস। ৭৪ বলে এ রান করতে ৯টি চার ও ৩টি ছক্কা মেরেছেন এ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। শান্ত অপরাজিত থাকেন ২২ রান করে। হংকংয়ের পক্ষে একমাত্র উইকেটটি পেয়েছেন এহসান খান।

বাংলাদেশের জয়ের ভিতটা অবশ্য গড়ে দিয়েছিলেন পেসার সুমন খানই। তার বোলিং তোপে পড়ে শুরু থেকেই ব্যাকফুটে ছিল হংকং। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে দলীয় ৭৬ রানেই অর্ধেক ব্যাটসম্যান সাজঘরে অবস্থান নেন। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে হারুন আরশাদকে নিয়ে ৫১ রানে জুটি গড়ে সে চাপ সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন অধিনায়ক আইজাজ খান। তবে এ জুটি ভাঙতেই আবার নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ফলে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬৪ রান তুলে থামে দলটি।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন হারুন। ৩৩ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। অধিনায়ক আইজাজের ব্যাট থেকে আসে ২৫ রান। কিঞ্চিৎ করেন ২৪ রান। বাংলাদেশের পক্ষে ৩৩ রান খরচ করে ৪টি উইকেট পান সুমন। এছাড়া মেহেদী হাসান ২৩ রানের বিনিময়ে পান ২টি উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

হংকং: ৫০ ওভারে ১৬৪/৯ (আহসান ৭, ম্যাকআসলান ১৪, শাহিদ ৩, কিঞ্চিৎ ২৪, ওয়াজিদ ১৭, আইজাজ ২৫, হারুন ৩৫, এহসান ৫, আফতাব ৪, রওনক ৫, মহসিন ৮; হাসান ১/১৬, সুমন ৪/৩৩, সৌম্য ০/৩৬, মেহেদী ২/২৩, আমিনুল ০/৪, আফিফ ১/৪১)।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব- ২৩ দল: ২৪.১ ওভারে ১৬৬/১ (সৌম্য ৮৪*, নাঈম ৫২, শান্ত ২২*; আইজাজ ০/২৫, মহসিন ০/১২, এহসান ১/৩৯, হারুন ০/১৮, কিঞ্চিৎ ০/২১, রওনক ০/২৯, আফতাব ০/২২)।

ফল: বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব- ২৩ দল ৯ উইকেটে জয়ী।

Comments

The Daily Star  | English

Cyclones fewer but fiercer since the 90s

Though the number of cyclones in general has come down in Bangladesh over the years, the intensity of the cyclones has increased, meaning the number of super cyclones has gone up, posing a greater threat to people in coastal areas, a recent study found

1h ago