বাংলাদেশের প্রতি এতটা নির্দয় না হতে অশ্বিনের আহবান

ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে গুটিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়েছেন ভারতের অফ স্পিনার রবীচন্দ্রন অশ্বিন। তার মতে অভিজ্ঞতায়, সামর্থ্যে অনেক এগিয়ে ভারত। মাঠে তারা সেরাটা দিয়েছে বলেই পারেনি বাংলাদেশ। কাজেই বাংলাদেশের সমালোচনায় কঠোর না হওয়ার আহবান তার।
Ravichandran Ashwin

ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে গুটিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়েছেন ভারতের অফ স্পিনার রবীচন্দ্রন অশ্বিন। তার মতে অভিজ্ঞতায়, সামর্থ্যে অনেক এগিয়ে ভারত। মাঠে তারা সেরাটা দিয়েছে বলেই পারেনি বাংলাদেশ। কাজেই বাংলাদেশের সমালোচনায় কঠোর না হওয়ার আহবান তার।

দুই টেস্ট ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে গিয়ে কঠিন সময়ে পড়ে বাংলাদেশ। ভারতীয় পেসারদের ঝাঁজে টালমাটাল হয়ে যায় ইনিংস। ধুঁকে ধুঁকে শেষ পর্যন্ত দেড়শো রানেই দৌড় থামে মুমিনুল হকদের।

কম রানে গুটিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের অ্যাপোচ নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। ভারতীয় বোলিং আক্রমণে এমন কুঁকড়ে যাওয়ায় সমালোচনায় পড়তে হচ্ছে মুমিনুলদের।

তবে এসব সমালোচনা নাকি হয়ে যাচ্ছে একটু বেশি কঠোর। অশ্বিন মনে করেন বাংলাদেশ খারাপ নয়, বরং ভারতের বোলাররা নিজেদের সেরাটা দিয়েছেন বলেই হয়েছে এই অবস্থা,  ‘আমরা দেশের মাঠে এবং দেশের বাইরে ভালো ক্রিকেট খেলতে মুখিয়েই থাকি। আপনার বুঝতে হবে আমাদের দলে অনেক অভিজ্ঞ টেস্ট ক্রিকেটার আছে। গড়ে সবাই ৪০-৫০ টা করে টেস্ট খেলে ফেলেছে। অন্য দল আমাদের চেয়ে অনেক অনভিজ্ঞ। আমি সংখ্যাটা বলতে পারব না। আমার দিক থেকে বলি আজ সকালের দিকে বাংলাদেশ ভালো খেলেছে। এক পর্যায়ে গিয়েই পরে আমাদের ধারাবাহিক ও ক্ষুরধার বোলিং আক্রমণে তাল হারিয়েছে।’

বাংলাদেশকে গুটিয়ে দিতে ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন পেসার মোহাম্মদ শামি, ইশান্ত শর্মা নেন ২০ রানে ২ উইকেট, উমেশ যাদবের পকেটে যায় ৪৭ রানে ২ উইকেট আর অফ স্পিনে ৪৩ রানে ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ছেঁটে ফেলেন অশ্বিন। কাজেই বাংলাদেশের ব্যর্থতা নয়, ভারতীয় বোলারদের সেরা অবস্থার প্রশংসা করতে বললেন অশ্বিন, ‘আমি বলব আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি, কাজেই বাংলাদেশের প্রতি নির্দয় (খারাপ খেলায় সমালোচনা) হওয়া উচিত না। ভারতের বোলারদের ইতিবাচক দিক নিয়ে কথা বলা এরচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

Comments

The Daily Star  | English

Lifts at public hospitals: Horror abounds

Shipon Mia (not his real name) fears for his life throughout the hours he works as a liftman at a building of Sir Salimullah Medical College, commonly known as Mitford hospital, in the capital

2h ago