আন্তর্জাতিক

ইরানের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর জেনারেল কাশেম সোলাইমানি মার্কিন হামলায় নিহত

আমেরিকার ‘হিট লিস্টে’র প্রথম দিকেই ছিলো জেনারেল কাশেম সোলাইমানির নাম। তিনি ইরানের এলিট ফোর্স হিসেবে পরিচিত বিপ্লবী গার্ড করপোরেশনের (আইআরজিসি) ‘কুদস বাহিনী’র প্রধান ছিলেন। দেশটির আধ্যাত্মিক নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পরই তিনি ছিলেন সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি।
qassem soleimani
জেনারেল কাশেম সোলাইমানি। ছবি: এএফপি

আমেরিকার ‘হিট লিস্টে’র প্রথম দিকেই ছিলো জেনারেল কাশেম সোলাইমানির নাম। তিনি ইরানের এলিট ফোর্স হিসেবে পরিচিত বিপ্লবী গার্ড করপোরেশনের (আইআরজিসি) ‘কুদস বাহিনী’র প্রধান ছিলেন। দেশটির আধ্যাত্মিক নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পরই তিনি ছিলেন সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আজ (৩ জানুয়ারি) ভোরে মার্কিন সেনারা ইরাকের রাজধানী বাগদাদের বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালিয়ে কাশেম সোলাইমানিকে হত্যা করেছে।

সোলাইমানিকে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউজ এবং পেন্টাগন। বলেছে, আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়েছে।

আমেরিকার স্বার্থে আঘাত হানার বিষয়ে ইরান যেসব পরিকল্পনা করছে তারা যেনো তা ভবিষ্যতে বাস্তবায়িত করতে না পারে সে জন্যেই ইরানি জেনারেলকে হত্যা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

সকালে এক টুইটার বার্তায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলেছেন, জেনারেল সোলেমানিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আমেরিকা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী কাজ করেছে। আইএস, আল নুসরাহ ও আল কায়েদার মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো দমনে সোলাইমানি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাকে হত্যার মাধ্যমে আমেরিকা চরম বিপদজনক ও বোকামির পরিচয় দিয়েছে।

আমেরিকাকে এর দায়ভার দিতে হবে বলেও তিনি হুশিয়ারি দিয়েছেন সেই বার্তায়।

ইরাকি কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছেন, সোলাইমানি ছাড়াও ইরাকি মিলিশিয়া বাহিনীর কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিসও সেই হামলায় নিহত হয়েছেন।

Comments