এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এস কে সিনহা)-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
sinha.jpg
সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এস কে সিনহা)-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আজ (৫ জানুয়ারি) ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েস এই আদেশ দেন।

আসামিদের গ্রেপ্তার করা গেলো কী না- সে বিষয়ে পুলিশকে আগামী ২২ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন আদালত।

এর আগে, ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ মামলায় এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জমাকৃত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে ভুয়া ঋণের মাধ্যমে চার কোটি টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর ও আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে গত ১০ জুলাই এ মামলা করে দুদক।

মামলায় বিচারপতি সিনহা ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমান পদ্মা ব্যাংক) সাবেক এমডি একেএম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, একই এলাকার বাসিন্দা নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, রনজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায়।

প্রধান বিচারপতি সিনহা ২০১৭ সালের ২ অক্টোবর ছুটিতে যান এবং ১৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার পথে রওনা হন।

বিদেশ যাওয়ার আগে সিনহা সাংবাদিকদের জানান, তিনি অসুস্থ নন। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, অসুস্থতার কারণে তিনি ছুটিতে যাচ্ছেন।

সিনহা অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পরের দিন সুপ্রিম কোর্ট থেকে বিবৃতি দেওয়া হয়। যেখানে বলা হয়, সিনহা দুর্নীতি, নৈতিক অবক্ষয় ও অর্থপাচারসহ ১১ অভিযোগে অভিযুক্ত।

নিজের মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় তিন মাস আগে ২০১৭ সালের ১১ নভেম্বর তিনি দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন।

Comments

The Daily Star  | English

Thousands pray for rain as Bangladesh sizzles in heatwave

Thousands of Bangladeshis yesterday gathered to pray for rain in the middle of an extreme heatwave that prompted authorities to shut down schools around the country

19m ago