ফজলে রাব্বির সেঞ্চুরির পর শফিউলের এক ওভারেই ৪ উইকেট

ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে দারুণ সেঞ্চুরি করেছেন ফজলে মাহমুদ রাব্বি। দক্ষিণাঞ্চল ছাড়ায় কোনমতে ছাড়ায় আড়াইশ রান। সবুজ উইকেটে ওই রানকেই পাহাড়সম বানিয়ে ছেড়েছেন পেসার শফিউল ইসলাম। প্রথম ওভারে ৪ উইকেটসহ ৫ উইকেটে নিয়ে পঞ্চাশের আগে উত্তরাঞ্চলের অর্ধেক ইনিংস মুড়ে দিয়েছেন তিনি।

ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে দারুণ সেঞ্চুরি করেছেন ফজলে মাহমুদ রাব্বি। দক্ষিণাঞ্চল ছাড়ায় কোনমতে ছাড়ায় আড়াইশ রান। সবুজ উইকেটে ওই রানকেই পাহাড়সম বানিয়ে ছেড়েছেন পেসার শফিউল ইসলাম। প্রথম ওভারে ৪ উইকেটসহ ৫ উইকেটে নিয়ে পঞ্চাশের আগে উত্তরাঞ্চলের অর্ধেক ইনিংস মুড়ে দিয়েছেন তিনি।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বিসিএলের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে দক্ষিণাঞ্চল গুটিয়ে গিয়েছিল ২৬২ রানে। জবাবে ৪৬ রান তুলতে ৫ উইকেট হারিয়ে বসেছে উত্তরাঞ্চল। ৬ ওভার বল করে ৩০ রান দিয়ে শফিউলের শিকার ৫ উইকেট। যার চারটিই নিয়েছেন প্রথম ওভারে। ৫ উইকেটের চারটিই বোল্ড করে পাওয়া।

ঘাসে ভরা উইকেট দেখে দক্ষিণাঞ্চলকে আগে ব্যাট করতে দিয়েছিল উত্তর। ইনিংসের প্রথম বলেই শাহরিয়ার নাফীসকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান তাসকিন আহমেদ। ৩০ রানে আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয়কে বোল্ড করে দেন ইবাদত হোসেন। শামসুর রহমান শুভ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন। তাসকিনের পেসে স্টাম্প উড়ে যায় তারও।

এরপর চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন মাহমুদউল্লাহ ও ফজলে রাব্বি। কঠিন উইকেটে চোয়লবদ্ধ দৃঢ়তা দেখিয়ে ৭১ রানের জুটি পান তারা। ৬৯ বলে ৩১ করা মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়ে প্রতিরোধ ভাঙেন আরিফুল হক।

আল-আমিন জুনিয়রও দ্রুতই ফিরে যান আরিফুলের মিডিয়াম পেসে। এরপর নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে ৭৫ রানের আরেক জুটি পান রাব্বী। ১৬৪ বলে ১৭ চার তিন ছক্কায় তার ১২৫ রানের ইনিংস থামে লেগ স্পিনার তানবীর হায়দারের বলে। তার আউটের পর আর খুব বেশি দূর যায়নি দক্ষিণের ইনিংস।

শেষ সেশনে ব্যাটিং পেয়েই ধস নামে উত্তরাঞ্চলের ইনিংসে। একদম প্রথম বলেই লিটন দাসকে এলবিডব্লওতে ফেরান তিনি। এক বল বিরতির পর তৃতীয় বলে উড়ে যায় জুনায়েদ সিদ্দিকীর স্টাম্প। চতুর্থ বলে স্টাম্প ছত্রাখান হয়ে যায় মিজানুর রহমানের। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও হয় তৈরি। অভিজ্ঞ নাঈম ইসলাম এসে হ্যাটট্রিক ঠেকিয়ে দিলেও শেষ বলে তিনিও পরাস্ত হয়ে খুইয়েছেন স্টাম্প।

প্রথম ওভার শেষে উত্তরাঞ্চলের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৪ রান! চরম বিপর্যস্ত পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়ান রনি তালুকদার। সানজামুল ইসলামকে নিয়ে ওই অবস্থান পান ৪২ রানের জুটি। পরের স্পেলে এসে এই জুটিও ভেঙ্গেছেন শফিউল। সানজামুলও শফিউলের স্যুয়িং বুঝতে না পেরে খুইয়েছেন স্টাম্প। দিনশেষে ৪২ বলে ২৬ করে একার লড়াই জারি রেখেছেন আরেক ওপেনার রনি তালুকদার। দ্বিতীয় দিনে তার সঙ্গে নামবেন তানবীর হায়দার।

Comments