চীন ফেরতদের যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫৯ জনে। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ১২ হাজার। চীনের বাইরে বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা।
ছবি: রয়টার্স

নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫৯ জনে। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ১২ হাজার। চীনের বাইরে বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা।

নভেল করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে অনেক দেশ চীনের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিচ্ছে।

দুই সপ্তাহের মধ্যে চীন সফর করেছেন এমন বিদেশিদের যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এর আগে রাশিয়া, জাপান, ইতালি ও পাকিস্তানও একই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেয়।

কাতার এয়ারওয়েজ চীনে তাদের সব ফ্লাইট স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। এক বিবৃতিতে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন দেশে প্রবেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে সোমবার থেকে ফ্লাইট স্থগিত করা হচ্ছে।

তবে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হতে পারে বলছে সংস্থাটি। তথ্য আদান-প্রদান, ওষুধ সরবরাহ চেইন এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে বলছেন সংস্থাটির প্রধান।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে ভাইরাস আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। লুকিয়ে সীমান্ত পাড়ি দেয়ার কারণে কতজন আক্রান্ত প্রবেশ করছে তার সংখ্যা থাকবে না। তারচেয়ে সীমান্তে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সনাক্তকরণ ব্যবস্থার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনইং জানিয়েছেন, ডব্লিউএইচও এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে বললেও, যুক্তরাষ্ট্র তার বিপরীত কাজ করে যাচ্ছে।

নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা এবং ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে মেডিকেল সরঞ্জাম চেয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাহায্য চেয়েছে চীন। এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং ইউরোপের সাহায্য চেয়েছেন। হাসপাতালে শয্যা ও অন্যান্য সরঞ্জামের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

 

Comments

The Daily Star  | English

Create right conditions for Rohingya repatriation: G7

Foreign ministers from the Group of Seven (G7) countries have stressed the need to create conditions for the voluntary, safe, dignified, and sustainable return of all Rohingya refugees and displaced persons to Myanmar

34m ago