করোনাভাইরাস: বেশি ঝুঁকিতে অসুস্থ ও বয়স্করা

অসুস্থ ও বয়স্ক ব্যক্তি নতুন করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, শ্বাসতন্ত্রের রোগ এবং হাইপারটেনশনে আক্রান্ত ব্যক্তিরা করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন চীনের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা কেন্দ্র (সিসিডিসি)।
China.jpg
রয়টার্স ফাইল ফটো

অসুস্থ ও বয়স্ক ব্যক্তি নতুন করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, শ্বাসতন্ত্রের রোগ এবং হাইপারটেনশনে আক্রান্ত ব্যক্তিরা করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন চীনের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা কেন্দ্র (সিসিডিসি)। 

নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৪৪ হাজার রোগীর ওপর গবেষণা চালিয়ে ভাইরাসটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে চীনা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। সিসিডিসির তথ্য অনুযায়ী, কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৩ শতাংশ। আক্রান্তদের ৮০ দশমিক ৯ শতাংশ খুব বেশি অসুস্থ নন। ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ গুরুতর অসুস্থ এবং ৪ দশমিক ৭ শতাংশ রোগী সংকটাপন্ন অবস্থায় আছেন।

তবে, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন বৃদ্ধ এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্তরা। এছাড়া করোনাভাইরাসের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।  

ভাইরাসটির কেন্দ্রস্থল হুবেই প্রদেশে ভাইরাসটি সংক্রমণের হার অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় বেশি। নতুন করোনাভাইরাসের কারণে হুবেই প্রদেশে মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৯ শতাংশ এবং অন্যান্য অঞ্চলে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ।

এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে ১ হাজার ৮৬৮ জন মারা গেছেন, আক্রান্ত হয়েছেন ৭২ হাজার ৪৩৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৯৮ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৮৮৬ জন। তবে, এর মধ্যে শুধু হুবেই প্রদেশে মারা গেছেন ৯৩ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮০৭ জন।

এছাড়াও ভাইরাসে আক্রান্ত ১২ হাজার রোগী সুস্থ হয়েছেন বলে চীনা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, নারীদের তুলনায় পুরুষ রোগীর মৃত্যুহার বেশি । পুরুষের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৮ শতাংশ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ১ দশমিক ৭ শতাংশ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত সাত জন চিকিৎসক মারা গিয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৭১৬ ডাক্তার ও নার্স।

বিবিসিতে প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, শহরগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা, হাত ধোয়া, মাস্ক পরা এবং যত্ন নেয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রচারের কারণে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমানো সম্ভব হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারের আরো প্রস্তুতি প্রয়োজন বলেও জানান তারা।

Comments

The Daily Star  | English
Shipping cost hike for Red Sea Crisis

Shipping cost keeps upward trend as Red Sea Crisis lingers

Shafiur Rahman, regional operations manager of G-Star in Bangladesh, needs to send 6,146 pieces of denim trousers weighing 4,404 kilogrammes from a Gazipur-based garment factory to Amsterdam of the Netherlands.

2h ago