উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে ১৪৪ ধারা, বৈঠকে ট্রাম্প-মোদি

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) বাতিলের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সরকার সমর্থকদের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত এক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত সাত জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ১০০ জন।
Delhi Clash
ইট-পাথর ছুড়ছেন বিক্ষোভকারীরা। ছবি: রয়টার্স

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) বাতিলের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সরকার সমর্থকদের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত এক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত সাত জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ১০০ জন।

চলমান পরিস্থিতির মধ্যেই আজ মঙ্গলবার দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউজে বৈঠক করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

গতকাল ট্রাম্প ভারতে পৌঁছানোর আগেই দিল্লিতে বিক্ষোভ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের কারণে উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে এক মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য।

এই পরিস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠক ডেকেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকটি করবেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ সকালেও দিল্লির মাওজপুর ও ব্রাহামপুরি এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ইট-পাথর ছুড়তে দেখা গেছে।

চলমান পরিস্থিতিতে দিল্লিতে সব সরকারি-বেসরকারি স্কুলের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে এবং আজ স্কুলগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।

বিতর্কিত আইনটি বাতিলের দাবিতে জাফরাবাদে প্রায় এক হাজার নারী শনিবার রাত থেকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করছিলেন। রোববার বিকেল থেকে এখানে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। যা এখনও চলছে।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে ২০১৫ সালের আগে ভারতে যাওয়া অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, এই আইন বৈষম্যমূলক ও ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের ভাবমূর্তির পরিপন্থি। এনআরসি (জাতীয় নাগরিকপঞ্জি) ও এই আইনের মাধ্যমে ভারতীয় মুসলিমদের রাষ্ট্রহীন করার চেষ্টা হচ্ছে।

Comments

The Daily Star  | English

Create right conditions for Rohingya repatriation: G7

Foreign ministers from the Group of Seven (G7) countries have stressed the need to create conditions for the voluntary, safe, dignified, and sustainable return of all Rohingya refugees and displaced persons to Myanmar

42m ago