টেকনিক্যালি নেইমারই বিশ্বের সেরা, মেসিও পিছিয়ে: কাফু

বার্সেলোনা তারকা লিওনেল মেসির বড় ভক্ত ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাফু। সামর্থ্যের বিচারে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে বরাবরই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় বলে এসেছেন তিনি। কিন্তু টেকনিক্যাল দিক বিবেচনায় মেসির চেয়ে স্বদেশী নেইমারকে এগিয়ে রাখছেন সাবেক ডিফেন্ডার কাফু। তার মতে, টেকনিক্যালি নেইমারের চেয়ে ভালো ফুটবলার বর্তমান সময়ে আর কেউ নেই।
ফাইল ছবি: এএফপি

বার্সেলোনা তারকা লিওনেল মেসির বড় ভক্ত ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাফু। সামর্থ্যের বিচারে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে বরাবরই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় বলে এসেছেন তিনি। কিন্তু টেকনিক্যাল দিক বিবেচনায় মেসির চেয়ে স্বদেশী নেইমারকে এগিয়ে রাখছেন সাবেক ডিফেন্ডার কাফু। তার মতে, টেকনিক্যালি নেইমারের চেয়ে ভালো ফুটবলার বর্তমান সময়ে আর কেউ নেই।

প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) তারকা নেইমারের সামর্থ্য নিয়ে আলোচনায় সম্প্রতি ফক্স স্পোর্টসের কাছে ৪৯ বছর বয়সী কাফু বলেছেন, ‘টেকনিক্যালি নেইমারই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। বর্তমানে টেকনিক্যালি কেউ নেইমারকে পরাস্ত করতে পারবে না। এমনকি মেসিও না, যদিও আমি তার একজন বড় ভক্ত। কিন্তু টেকনিক্যাল দিক দিয়ে সে নেইমারকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না।’

নেইমারের প্রশংসা করার পাশাপাশি তাকে আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে পরামর্শ দিয়েছেন দুটি বিশ্বকাপ জয়ী কাফু, ‘সে একাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। সে যখন ভালো করে, ব্রাজিল ফুটবল দল তখন ভালো করে। তবে নেইমারকে অবশ্যই দায়িত্ব নিতে হবে। সে এখনও ভালো নেতা নয়। সে পিএসজির মূল খেলোয়াড় এবং বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দামি তারকা। মাঠে সে একাই প্রতিপক্ষের আট খেলোয়াড়কে পেছনে ফেলতে পারে। সে মাঠে জায়গা বানায়, সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করে এবং অবিশ্বাস্য কিছু গোল দেয়।’

বার্সেলোনা ছেড়ে দুই মৌসুম আগে পিএসজিতে যোগ দিয়েছিলেন নিজেকে আরও উঁচুতে তুলতে। কিন্তু ফরাসি ক্লাবটিতে এখনও সে অর্থে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি নেইমার। উল্টো ভক্ত-সমর্থকদের বিরাগভাজন হয়েছেন। তবে আবারও তার বার্সেলোনায় ফেরার গুঞ্জন দিনকে দিন জোরালো হচ্ছে।

Comments

The Daily Star  | English

Create right conditions for Rohingya repatriation: G7

Foreign ministers from the Group of Seven (G7) countries have stressed the need to create conditions for the voluntary, safe, dignified, and sustainable return of all Rohingya refugees and displaced persons to Myanmar

3h ago