যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম শূন্যেরও নিচে

করোনা মহামারিতে রেকর্ড দরপতনে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলর দাম শূন্যেরও নিচে নেমে গেছে। গতকাল, এক ব্যারেল (প্রায় ১৫৯ লিটার) অপরিশোধিত তেল বিক্রি হয়েছে মাইনাস ৩৭ দশমিক ৬৩ ডলারে। আজ, মঙ্গলবার অপরিশোধিত তেলের দাম মাইনাস ১ ডলার পর্যন্ত উঠেছে।
Oil Pump.jpg
রয়টার্স ফাইল ছবি

করোনা মহামারিতে রেকর্ড দরপতনে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলর দাম শূন্যেরও নিচে নেমে গেছে। গতকাল, এক ব্যারেল (প্রায় ১৫৯ লিটার) অপরিশোধিত তেল বিক্রি হয়েছে মাইনাস ৩৭ দশমিক ৬৩ ডলারে। আজ, মঙ্গলবার অপরিশোধিত তেলের দাম মাইনাস ১ ডলার পর্যন্ত উঠেছে।

সিএনএন জানায়, সাধারণত পরবর্তি মাসে বাজারে তেলের দাম কত হবে তা ঠিক করে ডব্লিউটিআই ফিউচার্স।

আজ মঙ্গলবার মে মাসে তেলের দাম ঠিক করার মেয়াদ শেষ হলো। ডব্লিউটিআই ফিউচার্সে জুন মাসে ব্যারেল প্রতি অপরিশোধিত তেলের দাম ২০ দশমিক ৪৩ ডলার ও জুলাই মাসে ২৬ দশমিক ১৮ ডলার ধরেছে।

সিএনএন বলছে, চাহিদা কমে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের তেল সংরক্ষণাগারগুলো অতিরিক্ত চাপ নিতে পারছে না। মে মাসে যে তেল সরবরাহ করার কথা ছিল, তার দাম কমেছে। সংরক্ষণাগারগুলোতে মে মাসের তেল রাখার জায়গা নেই বলে আশঙ্কা করছেন উৎপাদকরা।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকয়াতে অনেক দেশেই লকডাউন চলছে। ফলে তেলের চাহিদা প্রায় ৩০ শতাংশ কমে গেছে।

গত ১৩ এপ্রিল দাম তলানিতে নেমে যাওয়ায় সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে ১০ শতাংশ তেলের উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অর্গানাইজেশন অব পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ (ওপেক)-এর সদস্য এবং মিত্র দেশগুলো। ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন মাত্রায় উৎপাদন কমানো হবে।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, বিশ্বজুড়ে লকডাউন জারি থাকলে জুনে যেসব তেল সরবরাহ করার কথা, তার দাম আরও কমতে পারে।

Comments

The Daily Star  | English

MV Abdullah crewmen en route to UAE

The Daily Star spoke to the family members of one crew member to find out how the events unfolded

2h ago