ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন: সন্তানসম্ভবা মায়েদের কঠোর আইসোলেশনে রাখুন

করোনাভাইরাসের দিনগুলোতে সন্তানসম্ভবা মায়েদের কঠোরভাবে আইসোলেশনে থাকা উচিত।
ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের দিনগুলোতে সন্তানসম্ভবা মায়েদের কঠোরভাবে আইসোলেশনে থাকা উচিত।

আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিন আব্বাসি জানান, গর্ভবতী নারীদের জন্য ভাইরাসের ঝুঁকি বেশি হওয়ায় এই সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘তাদের (মায়েদের) এই সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে।’

তিনি সন্তানসম্ভবা মায়েদের ঘরে থাকতে এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে আলাদা থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে এমন অবস্থায় নিয়মিত চেকআপের জন্য হাসপাতালে যাওয়া উচিৎ নয় বলেও তিনি যোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘ফোনে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন এবং শরীরের অবস্থা উদ্বেগজনক হলে নিকটস্থ হাসপাতালে যান। যত কম বাইরে যাবেন, সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা তত কম।’

যাদের সন্তান জন্মদানের সময় ঘনিয়ে এসেছে তাদের উচিত পরিবহণ এবং অন্যান্য জিনিসপত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা।

অধ্যাপক শারমিন বলেন, ‘পরিবহণ এখন একটি বড় সমস্যা। তাই, আগে থেকেই সেগুলো ঠিক করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।’

তিনি জানান, আগে তারা সন্তানসম্ভবা মায়েদের চার দিন হাসপাতালে থাকার পরামর্শ দিতেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে মায়েদের শরীরের অবস্থা জটিল না হলে সর্বোচ্চ দুদিন হাসপাতালে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।

‘নবজাতক শিশু এবং মাকে সবার থেকে আলাদা করে রাখা উচিত। পরিবারের কেবলমাত্র একজন সদস্যকে তাদের কাছাকাছি আসার জন্য ঠিক করতে হবে, বাকীদের আসতে দেওয়া যাবে না।’

এই সময়ে নবজাতক শিশুদের বাইরের কারও মাধ্যমে দেখাশোনা করানো উচিৎ হবে না এবং বাড়িতে অতিথিদের আসার অনুমতি দেওয়া ঠিক হবে না।

অধ্যাপক শারমিন বলেন, ‘এগুলো শুনতে খুবই অদ্ভুত লাগতে পারে। তবে মা ও শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে হলে এই সময়ে আমাদের খুবই কঠোর হতে হবে।’

আরও পড়ুন: ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন: নিজেকে নতুন করে জানুন

Comments

The Daily Star  | English

Create right conditions for Rohingya repatriation: G7

Foreign ministers from the Group of Seven (G7) countries have stressed the need to create conditions for the voluntary, safe, dignified, and sustainable return of all Rohingya refugees and displaced persons to Myanmar

1h ago