লালমনিরহাটে ত্রাণের দাবিতে কর্মহীন শ্রমিকদের বিক্ষোভ

করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমিকরা লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভে অংশ নেন নির্মাণ শ্রমিক, হোটেল শ্রমিক, রং মিস্ত্রি, নরসুন্দর সমিতি, ঠেলা ও ভ্যান চালকসহ অন্যান্য সেক্টরের শ্রমিকরা।
ত্রাণের দাবিতে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। ছবি: স্টার

করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমিকরা লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভে অংশ নেন নির্মাণ শ্রমিক, হোটেল শ্রমিক, রং মিস্ত্রি, নরসুন্দর সমিতি, ঠেলা ও ভ্যান চালকসহ অন্যান্য সেক্টরের শ্রমিকরা।

আজ শনিবার দুপুরের দিকে শ্রমিকরা উপজেলা পরিষদের সামনে বিক্ষোভ শুরু করলে সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। তবুও শ্রমিকরা বিক্ষোভ অব্যাহত রাখেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার রায় তাদের ত্রাণ সহায়তার আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা ঘরে ফিরে যান।

ইমরাত নির্মাণ শ্রমিক নেতা আব্দুল মজিদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘লালমনিরহাট সদর উপজেলায় বিভিন্ন সেক্টরে আট হাজার শ্রমিক আছেন। অথচ মাত্র এক হাজার ত্রাণ সহায়তা পেয়েছেন আর বাকি শ্রমিকরা বঞ্চিত আছেন সরকারের এ সহায়তা থেকে। শ্রমিকরা পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। কোথাও কোনো কাজ নেই। বাড়িতে থাকতে হচ্ছে। অথচ আমরাই সরকারের ত্রাণ সহায়তা থেকে বঞ্চিত।’

“ইউএনও আমাদের কাছে তালিকা চেয়েছেন এবং তালিকা মোতাবেক শ্রমিকদের ত্রাণ সহায়তা দিবেন এমন প্রতিশ্রুতি দিলে আমরা বিক্ষোভ থেকে সরে দাড়াই’, জানান তিনি।

হোটেল শ্রমিক আব্দুল মান্নান অভিযোগ করে বলেন, ‘কর্মহীন হয়ে বাড়িতে আছি। না খেয়ে থাকতে হচ্ছে। ঋণ করে চলতে হচ্ছে, এখন ঋণও মিলছে না। হোটেলের মালিকরাও খোঁজখবর নিচ্ছেন না। সরকারি ত্রাণ সহায়তা ছাড়া আমরা জীবন বাঁচাতে পারবো না।’

তালিকা দেয়ার পরও শ্রমিকরা সরকারি ত্রাণ সহায় না পেলে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আবারও বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করবেন বলে শ্রমিক নেতারা জানান।

Comments

The Daily Star  | English
44 killed in Bailey Road fire

Tragedies recur as inaction persists

After deadly fires like the one on Thursday that claimed 46 lives, authorities momentarily wake up from their slumber to prevent recurrences, but any such initiative loses steam as they fail to take concerted action.

13h ago