নেতৃত্বের প্রস্তাব পাওয়ার খবর মিথ্যা, জানালেন ডি ভিলিয়ার্স

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে সাবেক প্রোটিয়া দলনেতা সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে জানান, অধিনায়কত্ব প্রসঙ্গে প্রকাশিত খবরটি সত্য নয়।
ab de villiers
ছবি: এএফপি

জাতীয় দলে ফেরার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করা এবি ডি ভিলিয়ার্সকে দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক হওয়ার প্রস্তাব। ইতিহাসের অন্যতম সেরা ডানহাতি ব্যাটসম্যানের বরাতে এমন খবর প্রকাশিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। তবে বিষয়টি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ‘মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রি খ্যাত’ তারকা।

বুধবার বেশকিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্টার স্পোর্টস আয়োজিত শো ‘ক্রিকেট কানেক্টেড’- এ ৩৬ বছর বয়সী ডি ভিলিয়ার্স বলেছেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলার ব্যাপারে আমার দিক থেকে প্রবল আকাঙ্ক্ষা রয়েছে এবং বোর্ডের পক্ষ থেকে ফের প্রোটিয়াদের নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে আমাকে।’

কিন্তু পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে সাবেক প্রোটিয়া দলনেতা সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে জানান, প্রকাশিত খবরটি সত্য নয়, ‘প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা আমাকে প্রোটিয়াদের নেতৃত্ব দিতে বলেছে, যা সত্য নয়। এই সময়ে কোনটা বিশ্বাস করবেন, তা বোঝা আসলে কঠিন। অদ্ভুত সময়। সবাই নিরাপদে থাকুন।’

উল্লেখ্য, চাপ নিতে পারছেন না এমন যুক্তি দেখিয়ে ২০১৮ সালের মে মাসে হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে যান ডি ভিলিয়ার্স। যদিও বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি আসরে নিয়মিত খেলে যাচ্ছেন তিনি। গেল কয়েক মাস ধরেই অবশ্য তার অবসরে ভেঙে জাতীয় দলে ফেরা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, চলতি বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে দেখা যাবে তাকে।

কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ডি ভিলিয়ার্স ও দক্ষিণ আফ্রিকা বোর্ডের পরিকল্পনায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। কয়েক দিন আগে নিজ দেশের একটি দৈনিককে সাবেক প্রোটিয়া তারকা জানিয়েছেন দ্বিধায় পড়ে যাওয়ার কথা, ‘এই মুহূর্তে আমি ফিরতে প্রস্তুত। কিন্তু বিশ্বকাপ যদি পরের বছর চলে যায়, তাহলে বাস্তবতা পাল্টে যাবে। আমি জানি না তখন আমরার শরীর কতটা সাড়া দেবে, কতটা ফিট থাকব।’

Comments

The Daily Star  | English

Student in Rangpur killed during protesters' clash with police

Abu Sayeed, a student of Rangpur’s Begum Rokeya University, was killed during a clash between police and protesters seeking quota reform on the campus

9m ago