সুনামগঞ্জের ৪ করোনা আক্রান্ত পোশাককর্মী গাজীপুরে

ঢাকার গাজীপুর থেকে সুনামগঞ্জে আসা চার পোশাককর্মী গাজীপুরে তাদের কর্মস্থলে ফিরে গেছেন বলে জানিয়েছেন তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসেন। এরআগে বলা হয়েছিল এক করোনা আক্রান্ত গাজীপুরে ফিরেছেন।

ঢাকার গাজীপুর থেকে সুনামগঞ্জে আসা চার পোশাককর্মী গাজীপুরে তাদের কর্মস্থলে ফিরে গেছেন বলে জানিয়েছেন তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসেন। এরআগে বলা হয়েছিল এক করোনা আক্রান্ত গাজীপুরে ফিরেছেন।

তাদের নমুনা সংগ্রহের ১৩ দিন পর আজ নিশ্চিত হওয়া যায় তারা করোনা আক্রান্ত।

ডা. ইকবাল হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘উপজেলায় আক্রান্ত ছয় জনের রিপোর্ট আসার পর তাদের অবস্থানের তথ্য নিশ্চিত করতে গিয়ে প্রথমে জানা যায় যে আক্রান্ত এক ব্যক্তি ইতোমধ্যে গাজীপুরে তার কর্মস্থলে চলে গেছেন। পরে ওই গ্রামে গিয়ে দেখা যায় একজন নয়, বরং আক্রান্তদের ৪ জন ফিরে গেছেন গাজীপুরে।’

তিনি জানান, আক্রান্ত ৪৫ বছর বয়সী এক পুরুষ ও তার দুই মেয়ে একটি পোশাক কারখানায় এবং একই গ্রামের আরেক ৩০ বছর বয়সী নারী অপর একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত আছেন বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

আক্রান্ত বাকি দুইজনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে এবং গাজীপুরে চলে যাওয়া চার জনের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

গত ২০ এপ্রিল গাজীপুর থেকে তারা গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে এলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই তাদের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেটে পাঠানো হয় ২২ এপ্রিল।

এদিকে, ২২ থেকে ২৭ এপ্রিলের মধ্যে সিলেটের ল্যাবে পরীক্ষা না হওয়ায় জমে যাওয়া সিলেট বিভাগের ৬৬৭টি নমুনা পাঠানো হয় ঢাকায়, যার মধ্যে ৭৯টি নমুনায় করোনা পজিটিভ এসেছে বলে জানানো হয় গত ২ মে।

ল্যাব আইডি দিয়ে ঢাকায় পাঠানো এসব নমুনার তথ্য যাচাই শেষে আজ (৫ মে) সকালে নিশ্চিত হওয়া যায় কারা কারা আক্রান্ত হয়েছেন।

 

Comments

The Daily Star  | English
44 killed in Bailey Road fire

Tragedies recur as inaction persists

After deadly fires like the one on Thursday that claimed 46 lives, authorities momentarily wake up from their slumber to prevent recurrences, but any such initiative loses steam as they fail to take concerted action.

10h ago