নোয়াখালীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে আরও একজনের মৃত্যু

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে আরও একজন (৩০) মারা গেছেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে জেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে সাত জন মারা গেছেন।
Corona Dead Body
স্টার অনলাইন গ্রাফিক্স

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে আরও একজন (৩০) মারা গেছেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে জেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে সাত জন মারা গেছেন।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার মিরওয়ারিশপুর গ্রামে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মো. মোমিনুর রহমান।

বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অসীম কুমার দাস বলেন, ‘মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের মিরওয়ারিশপুর গ্রামের বেচার দোকান এলাকার বাসিন্দা গত ৮-১০ দিন ধরে জ্বর, সর্দি, কাশি ও গলাব্যথায় ভুগছিলেন। গতকাল দুপুরে তিনি বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আসেন। চিকিৎসাসেবা দিয়ে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি তার ভাড়াবাসায় মারা যান।

‘খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিম মৃত ব্যক্তির বাসায় গিয়ে তার স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, শ্বশুর-শাশুড়িসহ পাঁচ জনের নমুনা সংগ্রহ করেছে। আজ তাদের নমুনা পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রামের বিআইটিআইডিতে পাঠানো হবে। ওই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে’, বলেন তিনি।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, ‘মারা যাওয়া ব্যক্তির গ্রামের বাড়ি সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের পতিশ গ্রামে। স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছায় তার মরদেহ পতিশ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার জন্য গতকাল রাত ৯টার দিকে তার গ্রামের বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়।’

বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মৃত ব্যক্তি যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন, সেই বাড়িটি ও পাশের একটি ভবন গতকাল রাত ৯টার দিকে লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের লোকজনের মাধ্যমে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে তার মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

এর আগে, করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ৩০ এপ্রিল সকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক কিশোরী, ৩ মে সকালে সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নে নানার বাড়িতে এক মাদরাসাছাত্রী, ৩ মে রাতে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক যুবক, ৪ মে দুপুরে সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নের উত্তর কচ্ছপিয়া গ্রামে এক গৃহবধূ, ৫ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা, একইদিন দুপুর ১২টার দিকে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে চিলাদি গ্রামের এক বাসিন্দা মারা গেছেন।

Comments

The Daily Star  | English

Year-long waterlogging, endless misery

If one visits Government Teachers’ Training College in Chawk Bazar area, they will notice a field inundated by water, entrances and ground floors of male and female hostels submerged, and hyacinths growing everywhere on the waterlogged premises.

16h ago