বলে লালা ব্যবহার নিষিদ্ধের সুপারিশ আইসিসি ক্রিকেট কমিটির

করোনাভাইরাস মহামারির পর ক্রিকেট শুরু হলে বহুদিনের একটি রীতি নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে। আইসিসি ক্রিকেট কমিটি স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বল শাইন করতে মুখের লালা ব্যবহার নিষিদ্ধের সুপারিশ করেছে। তবে ঘাম ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মত দিয়েছে তারা।
cricket shines the ball
থুতু দিয়ে বল শাইন করছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফাফ দু প্লেসি ও ডিন এলগার (ফাইল ছবি)

করোনাভাইরাস মহামারির পর ক্রিকেট শুরু হলে বহুদিনের একটি রীতি নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে। আইসিসি ক্রিকেট কমিটি স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বল শাইন করতে মুখের লালা ব্যবহার নিষিদ্ধের সুপারিশ করেছে। তবে ঘাম ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মত দিয়েছে তারা।

ভারতের সাবেক ক্রিকেটার অনিল কুম্বলের নেতৃত্বাধীন ক্রিকেট কমিটি সোমবার এক ভিডিও কনফারেন্সে করোনা পরবর্তী ক্রিকেটের নিরাপত্তায় কিছু সুপারিশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী জুনে আইসিসির সদস্য দেশগুলোর প্রধান নির্বাহীদের বৈঠকে এই সুপারিশ নিয়ে আলোচনা করা হবে। সেখানে নেওয়া হতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

বলে লালা বা থুতু ব্যবহারের বলে ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে বলে আলোচনা চলছিল কয়েকদিন ধরে। বিভিন্ন ক্রিকেটার দিচ্ছিলেন ভিন্ন ভিন্ন মত। তবে বড় মতই আসছিল লালা ব্যবহার নিষিদ্ধ করে বিকল্প খুঁজতে।

এই পরিস্থিতি ক্রিকেট কমিটি বৈঠকের আগে পরামর্শ আইসিসির মেডিকেল অ্যাডভাইজরি কমিটির প্রধান পিটার হারকোর্টের কাছে। তিনি লালা ব্যবহার নিষিদ্ধের পক্ষে মত দেন। এরপর ক্রিকেট কমিটিও তাদের সভায় সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে শরীরের ঘাম ব্যবহার করে বল শাইন করা যেতে পারে বলেও মত দিয়েছে তারা।

সভায় গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু সুপারিশেরও সিদ্ধান্ত হয়। করোনার প্রকোপ থাকা অবস্থায় স্থানীয়ভাবে ম্যাচ অফিসিয়াল নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া টেস্টে প্রতি ইনিংসে আরও একটি করে রিভিউ বাড়ানোর সুপারিশও করা হয়েছে।

তবে অনিল কুম্বলে জানিয়েছেন, করোনার কারণে তাদের এই সুপারিশগুলো অন্তর্বর্তীকালীন। অর্থাৎ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে সব কিছু আগের মতই চলতে পারে।

Comments

The Daily Star  | English

Bangladesh yet to benefit from GI-certified products

Bangladesh is yet to derive any benefit from the products granted the status of geographical indication (GI) due to a lack of initiatives from stakeholders although the recognition enhances the reputation of goods, builds consumer confidence and brings in higher prices.

6h ago