টাঙ্গাইলে একই পরিবারের ৫ জনসহ আরও ৩৫ জনের করোনা শনাক্ত

টাঙ্গাইলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৩৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। এ নিয়ে জেলায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৩১ জনে দাঁড়াল।
আজ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিট থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন চার জন। ছবি: স্টার

টাঙ্গাইলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৩৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। এ নিয়ে জেলায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৩১ জনে দাঁড়াল।

আজ মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গত ২০ মে পাঠানো নমুনা থেকে নতুন ১৩ জন করোনা পজিটিভ রোগী শনাক্ত হওয়ার রিপোর্ট গতকাল রাতে পেয়েছি। আর গত ১৯, ২১ ও ২৩ মে পাঠানো নমুনার ফলাফল পেয়েছি আজ সকালে। যেখানে আরও ২২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ২২ মে (শুক্রবার) কোনো নমুনা পাঠানো হয়নি।’

‘শনাক্ত ৩৫ জনের মধ্যে ১২ জন মির্জাপুরের, ছয় জন ধনবাড়ীর, পাঁচ জন নাগরপুরের, পাঁচ জন মধুপুরের, তিন জন দেলদুয়ারের, দুই জন কালিহতীর এবং ঘাটাইল ও বাসাইল উপজেলার এক জন করে রয়েছেন’, বলেন তিনি।

তিনি আরও জানান, রিপোর্টগুলো স্ব স্ব উপজেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে শনাক্ত রোগীসহ তাদের আশপাশের বাড়িঘর লকডাউন এবং তাদের চিকিৎসাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মির্জাপুর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম বলেন, ‘নতুন শনাক্তদের মধ্যে মির্জাপুরের একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রীসহ পাঁচ জন রয়েছেন।’

‘এ নিয়ে মির্জাপুর উপজেলায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩০ জনে। এই উপজেলাটি গাজীপুর ও ঢাকার সীমান্তবর্তী হওয়ায় এবং স্থানীয়দের সচেতনতার অভাবে এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে’, বলেন তিনি।

টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, ‘হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ভর্তি হওয়া মোট নয় জন করোনা রোগীর মধ্যে চার জন আজ সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এদের মধ্যে তিন জন মির্জাপুর উপজেলার ও অপরজন গোপালপুর উপজেলার।’

Comments

The Daily Star  | English
62% young women not in employment, education

62% young women not in employment, education

Three out of five young women in Bangladesh were considered NEETs (not in employment, education, or training) in 2022, a waste of the workforce in a country looking to thrive riding on the demographic dividend, official figures showed.

8h ago