বিনামূল্যে ৩টি হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ

আবুল খায়ের গ্রুপের মহতী উদ্যোগ

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন সংকট লাঘবে এগিয়ে এসেছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের গ্রুপ। করোনা চিকিৎসায় নির্ধারিত চট্টগ্রামের তিনটি হাসপাতালে গত ১২ মে থেকে অক্সিজেন সরবরাহ করে আসছে আবুল খায়ের গ্রুপ।
Abul_Khayer_Group_Logo.jpg
ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন সংকট লাঘবে এগিয়ে এসেছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের গ্রুপ। করোনা চিকিৎসায় নির্ধারিত চট্টগ্রামের তিনটি হাসপাতালে গত ১২ মে থেকে অক্সিজেন সরবরাহ করে আসছে আবুল খায়ের গ্রুপ।

সীতাকুণ্ড উপজেলার শীতলপুরে অবস্থিত একেএসের (আবুল খায়ের স্টিল) প্ল্যান্ট থেকে অক্সিজেন সরবরাহ করতে নতুন একটি ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে একেএস প্ল্যান্টের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক ইমরুল কাদের ভূঁইয়া দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমাদের স্টিল মিলের প্রয়োজন মেটাতে আমরা অক্সিজেন উৎপাদন করি। সেটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অক্সিজেন। অক্সিজেনের অভাবে মানুষ মারা যাচ্ছে দেখে আমাদের কর্তৃপক্ষ এখানে মেডিকেল গ্রেডের অক্সিজেন উৎপাদনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে। সে মোতাবেক আমরা প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে একটি নতুন ইউনিট স্থাপন করি, যেখানে রোগীর উপযোগী মেডিকেল গ্রেড অক্সিজেন উৎপাদন করা হচ্ছে গত ১২ মে থেকে। অক্সিজেন বহন করার জন্য তিন শ সিলিন্ডারও কেনা হয়েছে।’

‘বর্তমানে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, বিআইটিআইডি (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল ইনফেকশাস ডিজিজ) ও চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে। হাসপাতাল ছাড়াও আইন-শৃংখলা বাহিনী ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে’— বলেন ইমরুল কাদের।

চট্টগ্রামের জেলা সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বী দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আবুল খায়ের গ্রুপ যেভাবে এ সংকটে অক্সিজেন দিয়ে এগিয়ে এসেছে সেটা অভূতপূর্ব। তাদের কারণে শত শত রোগীর জীবন আমরা রক্ষা করতে পেরেছি। দেশের শীর্ষ শিল্পমালিকরা যদি এভাবে এগিয়ে আসতো তাহলে চলমান সংকটে আমরা অনেক উপকৃত হতে পারতাম।’

Comments

The Daily Star  | English

Desire for mobile data trumps all else

As one strolls along Green Road or ventures into the depths of Karwan Bazar, he or she may come across a raucous circle formed by labourers, rickshaw-pullers, and street vendors.

14h ago