শ্রীলঙ্কায় এশিয়া কাপ আয়োজনের গুঞ্জনে ভারতীয় বোর্ডের ‘তীব্র আপত্তি’

নড়েচড়ে বসার পাশাপাশি অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভারতের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
BCCI logo
ছবি: এএফপি

আগামী সেপ্টেম্বরে শ্রীলঙ্কার মাটিতে এশিয়া কাপ আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে তৈরি হওয়া গুঞ্জনে ‘তীব্র আপত্তি’ জানিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। তারা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছে, এই বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে গেল সপ্তাহে। সভা শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছিল, ‘কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব ও পরিস্থিতির আলোকে সভায় ২০২০ এশিয়া কাপের সম্ভাব্য ভেন্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং যথাসময়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

কিন্তু শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের (এসএলসি) সভাপতি শাম্মি সিলভা স্থানীয় গণমাধ্যম সিলন টুডের কাছে জানান ভিন্ন কথা। সম্ভাব্য আয়োজক হিসেবে এতদিন ধরে কেবল সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাম শোনা গেলেও তিনি দাবি করেন, ২০২০ এশিয়া কাপের আয়োজক হতে যাচ্ছেন তারা।

‘পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে এবং বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি অনুসারে, এই বছরের এশিয়া কাপের আসরটি আমাদের আয়োজন করার ব্যাপারে ইতোমধ্যে তারা সম্মত হয়েছে। অনলাইনে এসিসির (এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল) সভা হয়েছে এবং তারা টুর্নামেন্টটি আয়োজনে আমাদেরকে সবুজ সংকেত দিয়েছে।’

এমন খবরে নড়েচড়ে বসার পাশাপাশি অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভারতের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা। দেশটির গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার কাছে সোমবার বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন, শ্রীলঙ্কাকে এশিয়া কাপ আয়োজনের ‘সবুজ সংকেত’ দেওয়া নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি এসিসি সভায়।

‘আমরা জানি না এ ধরনের খবর কোথা থেকে আসে। আর এই গুঞ্জনগুলো কত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সেটা দেখেও আমরা বিস্মিত। বিসিসিআই এই বিষয়ে পরিষ্কার যে, এসিসি সভায় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’

উল্লেখ্য, এবারের এশিয়া কাপের মূল আয়োজক পাকিস্তান। কিন্তু তাদের বৈরি প্রতিবেশী ভারত সেখানে ভ্রমণ করতে রাজি নয়। তাই সম্ভাব্য বিকল্প ভেন্যু হিসেবে জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাম। সবশেষ ২০১৮ এশিয়া কাপের আসরও বসেছিল সেখানে।

Comments

The Daily Star  | English

Banks sell dollar at more than Tk 118 as pressure mounts

The chief executives of at least three private commercial banks told The Daily Star that the BB had verbally allowed them to quote Tk 1 more than the exchange rate to collect US dollars amid the ongoing forex crunch.

3h ago