ট্রাম্পের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন মুছে দিয়েছে ফেসবুক

নীতিমালা লঙ্ঘন করে ‘সংগঠিত ঘৃণা’র প্রচারণার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুনঃনির্বাচনী প্রচার চালানো পোস্ট এবং বিজ্ঞাপন সরিয়ে দিয়েছে ফেসবুক।
Trump post-1.jpg
ছবি: সংগৃহীত

নীতিমালা লঙ্ঘন করে ‘সংগঠিত ঘৃণা’র প্রচারণার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুনঃনির্বাচনী প্রচার চালানো পোস্ট এবং বিজ্ঞাপন সরিয়ে দিয়েছে ফেসবুক।  

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই বিজ্ঞাপনগুলোতে একটি লাল উল্টানো ত্রিভুজের ছবি দেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার ফেসবুক জানায়, এটি একটি প্রতীক, যা নাৎসিরা রাজনৈতিক বন্দীদের চিহ্নিত করতে ব্যবহার করতো।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের ফেসবুক পেজে ওই ছবি পোস্ট করে অ্যান্টিফা-বিরোধী পিটিশনে সই করার জন্য বলা হয়। অ্যান্টিফা দলটি যুক্তরাষ্ট্রে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে জর্জ ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে দেশজুড়ে জন্ম নেওয়া বর্ণবাদবিরোধী সহিংস আন্দোলনের জন্য অ্যান্টিফাকেই দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম। বিতর্কিত কয়েকটি বিষয় তুলে ধরে গোটা আন্দোলনকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প।

ফেসবুকের এক মুখপাত্র জানান, একটি নিষিদ্ধ দলের ব্যবহৃত রাজনৈতিক বন্দি চিহ্নিতকরণ প্রতীকের ব্যবহার ফেসবুকের নীতিমালার সঙ্গে যায় না। তাই এটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ফেসবুকের সুরক্ষা নীতি প্রধান নাথানিয়েল গ্লেইচের বলেন, ‘আমরা এমন কোনো প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দিই না, যা কোনো ঘৃণ্য আচরণের প্রতিনিধিত্ব করে। যদি অন্য কোনো বিজ্ঞাপনেও এমন চিহ্ন দেখা যায়, তাহলেও আমরা সেটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

ওই পোস্টটি ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের পেজে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ছিল। সেখানে হাজার হাজার মানুষ সেটা দেখেন ও রি-অ্যাকশন ও কমেন্ট করেন।

রুটজার্স ইউনিভার্সিটির ইতিহাসবিদ মার্ক ব্রে এ বিষয়ে জানান, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে জার্মানদের লাল ত্রিভুজ চিহ্নটি জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের কিছু বামপন্থী দল ব্যবহার করলেও, তা আমেরিকার বর্ণবাদবিরোধীরা কখনোই ব্যবহার করেননি। ফলে এই প্রতীকের মাধ্যমে তাদেরকে চিহ্নিত করাটা হিংসারই প্রতিনিধিত্ব করে।

Comments

The Daily Star  | English
IMF loan conditions

3rd Loan Tranche: IMF team to focus on four key areas

During its visit to Dhaka, the International Monetary Fund’s review mission will focus on Bangladesh’s foreign exchange reserves, inflation rate, banking sector, and revenue reforms.

7h ago