শেবাচিমের করোনা ইউনিটের আগুন নিয়ন্ত্রণে

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) করোনা ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে, ফায়ার ব্রিগেডের প্রচেষ্টায় আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে।
ফায়ার ব্রিগেডের তিন ইউনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ছবি: সুশান্ত ঘোষ

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) করোনা ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে, ফায়ার ব্রিগেডের প্রচেষ্টায় আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে।

হাসপাতালের করোনা ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে শুনেছি। পরে খুব দ্রুততার সঙ্গে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় তেমন কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি।’

খবর পেয়ে ফায়ার ব্রিগেডের ৩ ইউনিটের ২৫ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বরিশাল ফায়ার বিগ্রেড সহকারী পরিচালক ফারুক হোসেন সিকদার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি শর্টসার্কিট থেকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। পাঁচতলা ভবনের সিড়ির ঘরে শর্টসাকিট হয়ে আগুন লেগে কিছু তার পুড়ে যায়। এ সময় ধোঁয়া দেখে অনেকেই আতঙ্কে চিৎকার শুরু করে। আমরা তাদের আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য মাইকিং করি। বর্তমানে বিদ্যুতের তার মেরামতের কাজ চলছে।’

হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বলেন, বেশিরভাগ রোগীর মুখে তাপ দিতে হাসপাতালে হিটার ব্যবহার করা হচ্ছে। এজন্য অস্বাভাবিক লোডের কারণে ফিউজ পুড়ে আগুন ধরে যায়। এ সময় ধোঁয়া তৈরি হলেও তেমন কোন ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। অগ্নি নিরাপত্তার জন্য গণপূর্ত, জেলা প্রশাসক ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি। ইতোমধ্যে হিটার ব্যবহার নিষেধ করা হয়েছে। ১৫০ শয্যার করোনা ইউনিটে বর্তমানে ১১১ জন রোগী ভর্তি আছে।’

করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন এক রোগীর আত্মীয় রিপন বলেন, ‘হঠাৎ বিকট শব্দ হয়ে চারিদিকে ধোঁয়ায় ভরে যায়। এতে রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই বাইরে বের হয়ে আসেন।’

এক রোগী বলেন, ‘নীচতলার উত্তর দিকের কক্ষ ধোঁয়ায় ভরে যায়। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। নিচ তলার রোগীরা বাইরে বেরিয়ে আসে। আর আতঙ্কিত স্বজনরা হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে তাদের রোগীদের খোজ খবর নিতে শুরু করে।’

Comments

The Daily Star  | English
Bangladesh lacking in remittance earning compared to four South Asian countries

Remittance hits eight-month high

In February, migrants sent home $2.16 billion, up 39% year-on-year

21m ago