১০ লিভারপুল সমর্থক আটক

৩০ বছর পর আবারও একটা লিগ শিরোপার স্বাদ। তাও কি-না এমন একটি দলের, যারা ছিল ইংলিশ লিগের সবচেয়ে সফল দল। শিরোপা সংখ্যায় তাদের ধারেকাছে ছিল না কেউ। সেই দলটি ১৮ থেকে ১৯তম শিরোপা জয়ের মাঝে ব্যবধান ৩০ বছর। আর দীর্ঘ অপেক্ষা যখন ফুঁড়ায় উচ্ছ্বাসটা স্বাভাবিকভাবেই বাঁধভাঙা হবে। লিভারপুলের সমর্থকরা আগের দিন তাই করেছেন। তবে এ সময়ে উদযাপন করায় ১০ সমর্থককে আটক করেছে মার্সেসাইড পুলিশ। এমন সংবাদই প্রকাশ করেছে স্কাই স্পোর্টস।
ছবি: এএফপি

ইংলিশ লিগে একসময় লিভারপুল সবচেয়ে সফল দল। শিরোপা সংখ্যায় তাদের ধারেকাছে ছিল না কেউ। সেই দলটি ১৮ থেকে ১৯তম শিরোপা জয়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৩০ বছর। আর দীর্ঘ অপেক্ষা যখন ফুঁড়ায় উচ্ছ্বাসটা স্বাভাবিকভাবেই বাঁধভাঙা হবে। লিভারপুলের সমর্থকরা আগের দিন তাই করেছেন। আর এ সময়ে উদযাপন করায় ১০ সমর্থককে আটক করেছে মার্সেসাইড পুলিশ। এমন সংবাদই প্রকাশ করেছে স্কাই স্পোর্টস।

বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনাভাইরাসের এ সময়ে সারা বিশ্বের মতো ইংল্যান্ডের পরিস্থিতিও ভয়াবহ। লকডাউন শিথিল করা হলেও সামাজিক দূরত্ব মানা বাধ্যতামূলক। কিন্তু লিভারপুলের সমর্থকদের উদযাপনে সামাজিক দূরত্ব নামক কোনো শব্দই ছিল না। শহরের রাস্তা-ঘাট থেকে পানশালায় ছিল উপচে পড়া ভীড়। আর চেলসির কাছে ম্যানচেস্টার সিটির হারের পর দলে দলে লোকজন রাস্তায় নামতে শুরু করেন। বাজি-পটকা ফুটিয়ে, আনন্দ উল্লাসে একে-অপরকে জড়িয়ে ধরে ৩০ বছরের আক্ষেপ মেটান তারা।

তবে সমর্থকরা দলে দলে রাস্তায় নামায় তাদের বারবার সতর্ক করেন স্থানীয় পুলিশরা। কিন্তু সে শোনে কার কথা এর আগে লিভারপুলের কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ হতে শুরু করে খেলোয়াড়রাও পর্যন্ত তাদের ঘরে বসে উদযাপনের অনুরোধ করেছিলেন। নিজেদের সেই নায়কদের কথাই শোনেননি। উল্টো সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উদযাপনের বন্যতা আরও বাড়ে। স্থানীয় সময় রাত ১১টার পর সব রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেন মার্সেসাইড পুলিশ। এরপরও বাইরে উদযাপন করতে থাকায় ১০ সমর্থককে আটক করে তারা।

তবে যারা ঘরে বসে শিরোপা উদযাপন করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে মার্সেসাইড পুলিশ। তাদের সহকারী প্রধান কনস্টেবল রব কার্ডেন বলেছেন, 'লিভারপুল ফুটবল ক্লাবকে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা যেটায় অভিনন্দন জানাচ্ছি। আর ওইসব সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা ঘরের বসে উদযাপন করেছেন। তবে দুঃখজনকভাবে আমরা অনেককেই দেখেছি এ সময়ে বাইরে আসতে এবং স্টেডিয়ামের পাশে জড়ো হতে।'

Comments