মাছ ব্যবসায়ী যখন চিকিৎসক!

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় এক মাছ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অপারেশনকরাসহ বিভিন্ন ধরণের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
Pirojpur
স্টার অনলাইন গ্রাফিক্স

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় এক মাছ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অপারেশনকরাসহ বিভিন্ন ধরণের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত গোলাম মোস্তফা (৪০) উপজেলার সোনাখালী গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে ও মঠবাড়িয়া শহরের মহিমা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক। তিনি পেশায় মাছ ব্যবসায়ী।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই ক্লিনিকে অভিযান চালায় বরিশাল র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৮) একটি দল। তারপর তাকে আটক করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পীযূষ কুমার চৌধুরীর কাছে আনা হলে তিনি মোস্তফাকে ৩ মাসের কারাদণ্ড দেন।

এছাড়াও ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ায় মহিমা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পীযূষ কুমার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘মহিমা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে নিয়মিত রোগীদের অপারেশন করাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হতো। সেসব ভুয়া চিকিৎসকদের সঙ্গে নিজেও রোগীদের অপারেশনে অংশ নিতেন ক্লিনিকের মালিক গোলাম মোস্তফা।’

উপজেলার ধানীসাফা বাজারে হাজী আব্দুর রাজ্জাক সার্জিক্যাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভুয়া চিকিৎসক আমির হোসেন ভূইয়াকে (৪৫) ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পীযূষ কুমার চৌধুরীর ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ায় ওই ক্লিনিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ভুয়া চিকিৎসক আমীর হোসেন ভূঁইয়া বিভিন্ন সময় উপজেলার সৌদি প্রবাসী হাসপাতালে অপারেশন করেছেন। ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ায় হাসপাতালটিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পীযূষ কুমার আরও জানান, যে ক্লিনিকগুলোকে জরিমানা করা হয়েছে, সেখানে ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে প্রতারিত করা হত।

Comments

The Daily Star  | English