‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’ সাবেক স্বাস্থ্য সচিব, ব্যাখ্যায় বললেন মহাপরিচালক

করোনা চিকিৎসায় রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে তৎকালীন স্বাস্থ্য সচিবের নির্দেশনায় সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। ‘রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে’ এমন বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দেওয়া মন্ত্রণালয়ের চিঠির জবাবে বুধবার এ কথা জানান তিনি।

করোনা চিকিৎসায় রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে তৎকালীন স্বাস্থ্য সচিবের নির্দেশনায় সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। ‘রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে’ এমন বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দেওয়া মন্ত্রণালয়ের চিঠির জবাবে বুধবার এ কথা জানান তিনি।

বিশেষ সূত্র জানায়, ডিজি তার ব্যাখ্যায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যানের অনুরোধে গত ১৯ মার্চ তৎকালীন স্বাস্থ্যসচিব আসাদুল ইসলাম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে একটি ‘ফাইল নোট’ দেন বলে উল্লেখ করেছেন।

সূত্র আরও জানায়, সাবেক স্বাস্থ্য সচিবের নির্দেশনা পাওয়ার পর, সমঝোতা স্মারকে সই করার আগে অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) আমিনুল হাসান রিজেন্ট হাসপাতাল পরিদর্শনে যান।

রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি সই করা বিষয়ে মহাপরিচালক তার দাবির সঙ্গে সম্পর্কিত সব নথি জমা দিয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এতে জড়িত ছিলেন না বলে মহাপরিচালক তার ব্যাখ্যায় স্পষ্ট করেছেন, সূত্র জানায়।

তবে, দ্য ডেইলি স্টার বারবার চেষ্টা করেও মন্তব্যের জন্য সাবেক স্বাস্থ্য সচিব আসাদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে গত ২১ মার্চ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকটি সই করে এবং হাসপাতালটিকে ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা দেয়।

তবে, ছয় বছর আগেই হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি অধিদপ্তরের জানা ছিল।

গত ৭ জুলাই র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এর ভ্রাম্যমাণ আদালত রিজেন্টের উত্তরা শাখায় অভিযান চালিয়ে জাল কোভিড-১৯ পরীক্ষার রিপোর্ট তৈরি ও চিকিত্সার জন্য রোগীদের কাছ থেকে বাড়তি ফি আদায়ের অভিযোগে হাসপাতালটি বন্ধ করে দেয়।

তীব্র সমালোচনার মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১১ জুলাই জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’ অধিদপ্তরকে এই চুক্তিতে সই করতে বলেছিলেন।

মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে তিন কার্যদিবসের মধ্যে ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’ এর ব্যাখ্যা চেয়ে একটি চিঠি দেয়।

অধিদপ্তরের জবাবে আসাদুল ইসলামের নাম উল্লেখ করা হলেও, তিনি এখন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব।

Comments

The Daily Star  | English

Trade at centre stage between Dhaka, Doha

Looking to diversify trade and investments in a changed geopolitical atmosphere, Qatar and Bangladesh yesterday signed 10 deals, including agreements on cooperation on ports, and manpower employment and welfare.

57m ago