করোনায় সাংবাদিক, উপসর্গ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহে সাংবাদিক রেবেকা ইয়াসমিন ও করোনা উপসর্গ নিয়ে লালমনিরহাটে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক মারা গেছেন।
ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও দৈনিক জাহান পত্রিকার সম্পাদক রেবেকা ইয়াসমিন। ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহে সাংবাদিক রেবেকা ইয়াসমিন ও করোনা উপসর্গ নিয়ে লালমনিরহাটে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক মারা গেছেন। 

দ্য ডেইলি স্টার ময়মনসিংহ সংবাদদাতা জানান, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও দৈনিক জাহান পত্রিকার সম্পাদক রেবেকা ইয়াসমিন (৬৫) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আজ সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. জাকিউল ইসলাম জানান, গত ২৬ জুন স্ট্রোক হওয়ার পর, প্রথমে তাকে বেসরকারি হাসপাতাল সিবিএমসিবি এর আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবার স্ট্রোক হলে, গত ১৫ জুলাই তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

তিনি জানান, সেখানে ১৬ জুলাই তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হলে তাকে হাসপাতালের কোভিড ডেডিকেটেড আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে আজ তিনি মারা যান।

তার মৃত্যুতে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে।

এদিকে, লালমনিরহাটে করোনা উপসর্গ নিয়ে গতকাল রোববার রাত ২টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক (৭০) মারা গেছেন।  

পারিবারিক সূত্র জানায়, তার করোনা উপসর্গ- জ্বর, সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথা ছিল। এ অবস্থায়, গত ১৯ জুলাই তিনি স্ট্রোক করলে, তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ২২ জুলাই তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। গতকাল রোববার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

আজ সোমবার বেলা ১২ টায় লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হকের জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার দাফন হয়।

Comments

The Daily Star  | English

Why are investors leaving the stock market?

Stock investors in Bangladesh are leaving the share market as they are losing their hard-earned money because of the persisting fall of the indices driven by the prolonged economic crisis, the worsening health of the banking industry, and rising interest and exchange rates.

8h ago