শীর্ষ খবর

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে তীব্র হচ্ছে যানজট, বাড়ছে ভোগান্তি

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ক্রমাগত বাড়ছে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের চাপ। দীর্ঘ হচ্ছে গাড়ির সারি, বাড়ছে ভোগান্তি।
Dhaka Aricha highway
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। ৩১ জুলাই ২০২০। ছবি: স্টার

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ক্রমাগত বাড়ছে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের চাপ। দীর্ঘ হচ্ছে গাড়ির সারি, বাড়ছে ভোগান্তি।

আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে পাটুরিয়াঘাট থেকে মানিকগঞ্জ সদর পর্যন্ত অন্তত ৩০ কিলোমিটার তীব্র যানজট লক্ষ্য করা গেছে।

গাজীপুর, ধামরাই ও নবীনগর থেকে যারা গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পাটুরিয়া ঘাটের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তারা এখনো ঘাটে পৌঁছতে পারেননি।

সাভারের বাইপাইলে এক তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করেন ইয়াসিন মোল্লা। তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, ঈদের ছুটিতে তিনি নিজ বাড়ি ফরিদপুরে যাওয়ার জন্যে স্ত্রী, ভাগ্নি, ভাগ্নির স্বামীসহ রওনা হয়েছেন ভোর সাড়ে ৫টায়। প্রত্যেকের কাছ থেকে নবীনগর থেকে পাটুরিয়া পর্যন্ত ৫০০ টাকা করে ভাড়া নেওয়া হয়।

Paturia sufferings
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের ভোগান্তি। ৩১ জুলাই ২০২০। ছবি: স্টার

দুপুর ১টায় মানিকগঞ্জ আসার পর গাড়ি আর এগোতে পারেনি বলে তারা ১৫ কিলোমিটার হেঁটে আসার পর এই প্রতিবেদকের সঙ্গে দেখা হয় মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় মহাদেবপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে। এই স্থানটি পাটুরিয়া ঘাট থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে।

ইয়াসিন বলেন, ‘কখন যে পাটুরিয়া ঘাটে পৌঁছাবো ঠিক নাই। বাড়ি কবে পৌঁছাবো জানি না।’

সেখানে কথা হয় গার্মেন্টসকর্মী জুয়েল হাসানের সঙ্গে। তিনি ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘গতকাল বাড়ি যেতে পারতাম। কিন্তু, রাস্তায় গাড়ির চাপ আছে শুনে রওয়া দেই নাই। আজকে মহাসংকটে পড়েছি।’

এ বিষয়ে বিআইডব্লুটিসির আরিচা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক তানভীর আহমেদ ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমাদের পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি চলাচলে কোনো সমস্যা নেই। হঠাৎ গাড়ির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের এই ভোগান্তি হচ্ছে। এই চাপ সামলাতে আমরাও হিমশিম খাচ্ছি।’

Comments

The Daily Star  | English

Iran's President Raisi, foreign minister killed in helicopter crash

President Raisi, the foreign minister and all the passengers in the helicopter were killed in the crash, senior Iranian official told Reuters

3h ago