অধিনায়কত্ব ছাড়ার কথা একেবারেই ভাবিনি: আজহার

সিরিজ শেষে আজহারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল দল ও নিজের খারাপ সময়ে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা কি তিনি ভেবেছিলেন।
azhar ali

দল হারছে, নিজের ব্যাটে রান নেই। পাকিস্তান টেস্ট অধিনায়ক আজহার আলি পড়ে গিয়েছিলেন ভীষণ চাপে। তবে অতো চাপেও অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি তিনি। শেষ টেস্টে সেঞ্চুরি করে নিজের ছন্দ ফিরিয়েছেন। সিরিজ হারলেও তাই আপাতত কিছুটা স্বস্তি মিলেছে তার।

সাউদাম্পটনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ফলোঅনে পড়ে হারতে ইনিংস হারের মুখে ছিল পাকিস্তান। কিন্তু চতুর্থ দিন শেষ সেশন থেকে শুরু হওয়া বিরূপ প্রকৃতি শেষ দিনেও হানা দেয় প্রবলভাবে। বৃষ্টির কারণে তাই রক্ষা পেয়ে যায় আজহার আলির দল।

যদিও প্রথম টেস্ট হেরে সিরিজ হারতে হয় ১-০ ব্যবধানে।

ম্যানচেস্টারে প্রথম টেস্টে আজহার দুই ইনিংসে করেন ০ ও ১৮ রান। দ্বিতীয় টেস্টে খেলা একমাত্র ইনিংসে করেন ২০। শেষ টেস্টে দলের চরম বিপদে খেলেন ১৪১ রানের ইনিংস। ফলোঅন এড়াতে না পারলেও দলকে রক্ষায় তা রেখেছে বড় অবদান।

সিরিজ শেষে আজহারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল দল ও নিজের খারাপ সময়ে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা কি তিনি ভেবেছিলেন। আজহার জানালেন তার মূল ভাবনা ছিল কেবল সিরিজ নিয়েই,  ‘না, আমি এই সিরিজে ফোকাস করেছি। এটা আমার মাথায় কখনো আসেনি। হ্যাঁ চাপে পড়েছি কিন্তু আমি নিজের পারফরম্যান্সে ফোকাস থেকেছি।’

‘প্রথম টেস্ট হারার পর অধিনায়ক হিসেবে চাপ আর সমালোচনা আমি নিয়েছি। কিন্তু আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে পরিস্থিতি বদলে দেব। আমাদের টিম ম্যানেজমেন্টও এ ব্যাপারে সাহায্য করেছে।’

প্রথম টেস্টে একটা সময় পর্যন্ত এগিয়েছিল পাকিস্তান। সম্ভাবনা ছিল জেতার। কিন্তু এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হারতে হয় তাদের। বাকি দুই টেস্টে বৃষ্টি বড় প্রভাবক হয়ে যাওয়াই প্রথম টেস্টই নির্ধারণ করেছে সিরিজ। সেদিক থেকে আক্ষেপ আজহারের মনে,  ‘সিরিজ জিততে না পারায় আমরা হতাশ। আমরা সিরিজ জিততে এসেছিলাম। আমরা সুযোগ পেয়েছিলাম কিন্তু তা হাতছাড়া করেছি। কৃতিত্ব ইংল্যান্ডকে দিতে হবে। তারা সুযোগ কাজে লাগিয়েছে।’

Comments

The Daily Star  | English

Lifts at public hospitals: Horror abounds

Shipon Mia (not his real name) fears for his life throughout the hours he works as a liftman at a building of Sir Salimullah Medical College, commonly known as Mitford hospital, in the capital

2h ago