এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার উপযুক্ত পরিস্থিতি হলে তখন পরীক্ষা নেওয়া হবে: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ছবি: সংগৃহীত

এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার উপযুক্ত পরিস্থিতি হলে তখন পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আজ শনিবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে কোন রকমের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবানও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

এতে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে সোসাল মিডিয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে ভুয়া ফেসবুকে পেইজ ও প্রোফাইল (মিনিস্ট্রি অব এডুকেশন বোর্ড) খুলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া ও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাল্পনিক তারিখ ঘোষণা করে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।’

‘এ বিষয়ে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করার’ পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগিতাও কামনা করা হয়।

‘এই বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য হলো স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকায় কখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে এবং কখন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এখনও।’

‘পরীক্ষা নেওয়ার উপযুক্ত পরিস্থিতি হলে তখন পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং তারিখ গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। উপযুক্ত পরিবেশ বিরাজমান হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

‘ভুয়া কোনো পেইজের বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য বিশ্বাস না করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহবান জানানো হলো।’

মিনিস্ট্রি অব এডুকেশন বোর্ড নামের একটি ভুয়া পেজে লেখা আছে, “এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অক্টোবরের ১৫ তারিখ থেকে পরীক্ষা শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা। রুটিন প্রকাশিত হবে ১ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়।” যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসুত।’

এতে আরও বলা হয়, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজ (https://www.facebook.com/moebdgov) রয়েছে। এছাড়া, অন্য কোনো পেজের তথ্য বিশ্বাস করে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না।’

এই পরিস্থিতিতে কোনো গুজবে কান না দিয়ে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

Comments

The Daily Star  | English

Over 100 injured in overnight clashes between CU students, locals

About 20 people were sent to Chattogram Medical College Hospital in critical condition

32m ago