চট্টগ্রামে স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪

চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার শহীদ নগরে স্বামীকে সিএনজি অটোরিকশায় আটকে রেখে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের শিকার নারীকে উদ্ধার ও চার জনকে আটক করে বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ।

চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার শহীদ নগরে স্বামীকে সিএনজি অটোরিকশায় আটকে রেখে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের শিকার নারীকে উদ্ধার ও চার জনকে আটক করে বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ।

শনিবার দিবাগত রাতে মধ্যম শহীদ নগরের শফি কমিশনারের বাড়ির পাশে এই ঘটনা ঘটে বলে জানায় পুলিশ।

আটকৃকতরা হলেন, বাদশা মিয়া (৩৬), মো. জাবেদ (২৮), মো. রবিন (১৯) ও মো. ইব্রাহিম (৩০)। অপর অভিযুক্ত মো. শফি পলাতক।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি উত্তর জোন) আশিকুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ভুক্তভোগী তার স্বামীসহ ওয়াপদা গেট থেকে কাজ শেষে রৌফাবাদ এলাকায় নিজ বাসায় ফেরার পথে রাত সাড়ে দশটার দিকে অক্সিজেন-আলপনা ক্লাবের সামনে শফি তাদের পথ আটকে দাঁড়ায়।’

‘শফি তাদের নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করেন এবং এক পর্যায়ে তারা স্বামী-স্ত্রী নয় বলে তাদেরকে চার্জ করেন। এসময় শফি তার বন্ধু বাদশা, ইব্রাহিম, মো. জাবেদ ও রবিনকে ফোন করে নিয়ে আসেন এবং সাড়ে ১১টার দিকে ভুক্তভোগী ও তার স্বামীকে হুজুরের কাছে নিয়ে যাবেন বলে একটি সিএনজিতে তোলেন’, বলেন এডিসি আশিক।

পুলিশ কর্মকর্তা আশিক জানান, সিএনজিতে তুলে শহীদ নগর এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়ে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে স্বামীকে সিএনজিতে আটকে রেখে ভুক্তভোগীকে সালমা কলোনির একটি রুমে নিয়ে তারা ধর্ষণ করেন।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রিটন সরকার জানান, রাত ২টার দিকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই জনকে আটক ও স্বামীসহ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। পরে অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে আটক করা হয়।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আটককৃত চার জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।

Comments

The Daily Star  | English

Old, unfit vehicles running amok

The bus involved in yesterday’s accident that left 14 dead in Faridpur would not have been on the road had the government not caved in to transport associations’ demand for allowing over 20 years old buses on roads.

3h ago