ইউএনওর ওপর হামলা

‘আগের ঘটনাগুলোতে ব্যবস্থা না নেওয়ায় আজকের এই ঘটনা’

গত ২ সেপ্টেম্বর দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে ঢুকে তার ওপর হামলা চালানো হয়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা বলছেন, তার অবস্থা এখনো শঙ্কামুক্ত নয়।
সৈয়দ আবুল মকসুদ ও শহীদুল হক।

গত ২ সেপ্টেম্বর দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে ঢুকে তার ওপর হামলা চালানো হয়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা বলছেন, তার অবস্থা এখনো শঙ্কামুক্ত নয়।

এই ঘটনার পর বিস্মিত হয়েছেন সাধারণ মানুষ। একজন সরকারি কর্মকর্তা যিনি আইন প্রয়োগ করবেন, সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেবেন, অথচ, তিনি নিজেই তো নিরাপদ নন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে এই ঘটনার বিচারের দাবি জানাচ্ছেন।

এই যে একজন ইউএনওর ওপর হামলা হলো, এ ধরনের হামলার ঘটনা তো অতীতেও দেখা গেছে। ছাত্রলীগের কর্মীরা হাতুড়ি দিয়ে শিক্ষার্থীদের পিটিয়েছে, কিংবা ডাক্তারকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো, ইঞ্জিনিয়ারের ওপর হামলা হলো। তখন তো বিচার পরিলক্ষিত হয়নি। তো যেখানে বিচার দেখা যায়নি, সেখানে এমনটাই তো হওয়ার কথা ছিল। আমরা অবাক হচ্ছি কেন? এবং এর প্রতিকারে করণীয় কী?— এ বিষয়ে সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক শহীদুল হকের সঙ্গে কথা বলেছে দ্য ডেইলি স্টার

সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ‘আগে যে হামলাগুলো হয়েছে আমরা দেখেছি, সেগুলো সরকারের ছাত্র ও যুবক সংগঠনের লোকেরাই করেছে। এখনো তারাই করেছে। তাদের বিরুদ্ধে সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। না নেওয়ার ফলে আজকের এই ঘটনা। একজন ইউএনওর তো অন্যের নিরাপত্তা দেখার কথা। কিন্তু, তার নিজেরই তো নিরাপত্তা নেই। আমাদের এখানে যে সংস্কৃতিটা চলে আসছে, তা হলো— সরকারি দলের লোকেরা করে, তাই বিচার হয় না। ফলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় থাকে। নিজের দলের ভেতরেও তো তারা কোন্দল করছে। তাই এ বিষয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই।’

ইউএনওদের নিরাপত্তায় আনসার নিয়োগ দেওয়া হবে বা কিছু জায়গায় ইতোমধ্যে হয়েছে। কিন্তু, আরও তো সরকারি কর্মকর্তা আছে? এক্ষেত্রে গানম্যান নিয়োগ সমাধান নাকি সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন?, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। গানম্যান দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে নাকি? তা ছাড়া, শুধু ইউএনও তো নয়, এখানে তো এসিল্যান্ডসহ আরও অনেক রকমের কর্মকর্তা আছে। অপরাধীরা যদি ঠিকমতো শাস্তি পেত এবং দলীয় প্রশ্রয় না পেত, তাহলে এরকমটা হতো না। তাদেরকে দলীয় প্রশ্রয় না দিলেই এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না। সাধারণ চোর-ডাকাতরা তো এ ধরনের ঘটনা ঘটায় না। এই যে ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা করা হলো, এ বিষয়ে আরও সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন। এর পেছনের ঘটনা কী, জানতে হবে।’

দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের সঙ্গে তো সুশাসন বা অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্পর্ক রয়েছে। তা কি আমাদের এখানে আছে বা হচ্ছে?, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মূল বিষয়টাই তো হলো সুশাসন ও অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন। এখন অবাধ-সুষ্ঠ নির্বাচন ছাড়া তো সুশাসন হয় না। সর্বশেষ নির্বাচনটা দেখলেন না? ইউএনওর ওপর হামলাটা তো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। এটা তো হয়েছে জীবনের ওপর হামলা। কিছু দিন আগেও তো বরগুনায় আমতলীর নারী ইউএনওকে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটল। তখনও তো ইউএনও মামলা করলেন, কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হলো। এখন এই যে ঘটনাগুলো, এখানেই তো সুশাসনের বিষয়। আর সুশাসনের সঙ্গে সুষ্ঠু নির্বাচন জড়িত।’

এগুলোর প্রতিকার কী হতে পারে বলেন মনে করেন?, তিনি বলেন, ‘এখন ভোটারবিহীন নির্বাচন তো হয়েই গেছে। যা হওয়ার তা তো হয়ে গেছে। এখনো যদি তাদেরকে (যারা হামলা বা এ ধরনের কাজগুলো করছেন) নিয়ন্ত্রণে রাখে, তাহলে এ ধরনের ঘটনা প্রতিকার করা যেতে পারে। তারা তো সরকারি দলের লোক। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তো তাদেরকে দমন করতে পারবে না। প্রথমে সরকারকেই নিজের দলের লোকজনকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এরপর তো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আছে, প্রচলিত আইন আছে। যদি ন্যায়বিচার, আইনের শাসন থাকে, তাহলে তো কারোরই কিছু করা লাগত না। আইন তো নিজের গতিতে চলবে।’

‘এই যে ইউএনওরা, তারাই তো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করবেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। কিন্তু, তারাই তো এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাহলে অন্যদের উপায় কী? সাধারণ মানুষ তো আরও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন’, যোগ করেন সৈয়দ আবুল মকসুদ।

এ বিষয়ে শহীদুল হক বলেন, ‘আগের ঘটনাগুলোতে বিচার কেন হয়নি তা তো জানি না। কিন্তু, পুলিশ তদন্ত করে চার্জশিট দিয়ে দিয়েছে। বিচারের বিষয়টা তো আদালতের। এখানে বিচারকের স্বল্পতা বা মামলা জটের কারণে হয়তো এখনো বিচার হচ্ছে না। মামলা বিলম্বিত হচ্ছে। বিলম্বিত হলে যেটা হয়, অনেক সময় বিচারপ্রার্থী হতাশ হয়ে যায়। একটা কথা আছে, “জাস্টিস ডিলেইড ইজ জাস্টিস ডিনাইড”। ওই জিনিসটাই হয়। তবে, আমি মনে করি যেগুলো স্পর্শকাতর মামলা, সেগুলো যত দ্রুত সম্ভব শেষ করাই ভালো।’

যেহেতু এখনো বিচার হতে আমরা দেখি নাই, তাই ঘটনাগুলো তো পুনরায় ঘটাটাই স্বাভাবিক নয়?, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসলে বিচার এখন কোন প্রক্রিয়ায় আছে, তা তো আমার জানা নাই। কিন্তু, আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় বিচার এখনো হয়নি। হলে তো সাধারণ মানুষ জানতে পারত। কিন্তু, বিচার না হলেই যে অপরাধগুলো পুনরায় ঘটবে, এটা দুঃখজনক। (আগের ঘটনাগুলোতে) মামলা তো হয়েছে। পুলিশ অ্যাকশন তো হয়েছে। এটা তো কম কথা না। মামলা হলে যখন পুলিশ তদন্ত করে, চার্জশিট দেয়, এটাতো জাস্টিস প্রক্রিয়ার মধ্যে একটা ধাপ এগিয়ে যাওয়া। যখন দেখা যায়, অ্যাকশন হয়, সেটা দেখেও তো সচেতন হওয়া উচিত যে, না আমি অপরাধ করে পার পাব না। কিন্তু, যারা অপরাধ করে, অপরাধপ্রবণ হয়ে যায়, তাদের মাথার ভেতরে এগুলো থাকে না। তারা ভাবে না যে, অপরাধ করার পর মামলা হবে, অপরাধী ধরা পড়বে। তারা পরিণতির কথা চিন্তা করে না। পরিণতির চিন্তা করলে তারা এগুলো করত না।’

ইউএনওদের নিরাপত্তায় আনসার নিয়োগ ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা তো সরকারি সিদ্ধান্ত। এর বিরুদ্ধে কথা বলাটা আমার ঠিক না। কিন্তু, আমি মনে করি, কিছু ঘটলে হুট করেই যে এই ধরনের পাহারা নিয়োগ করা, এতে মনে হয় যে দেশে বোধ হয় চরম সন্ত্রাস আছে, মানুষ নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছে। এই বার্তাটা চলে যায়। কিন্তু, আসলে বিষয়টা তো তা নয়। একটা ঘটনা ঘটলে তদন্ত করে দেখা, কী কারণে এটা ঘটল, সেই কারণটা বের করতে হবে। যদি দেখা যায়, সেই কারণটা সব ইউএনও বা ডিসিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সেক্ষেত্রে এমন কিছু করলে অন্য কথা। কিন্তু, হুট করেই এভাবে সবাইকে পাহারা দেওয়া, সরকারি কর্মকর্তাকে পাহারা দেওয়া, তাহলে সাধারণ জনগণকে কী করবেন?’

‘কাজেই এসব ক্ষেত্রে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সেই নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সবাই আসবে। কিন্তু, ব্যক্তি হিসেবে এরকম করে যদি সবাই পুলিশ চায়, আনসার চায়, তাহলে আমি মনে করি সরকারের জন্য এটা একটা বিব্রতকর অবস্থা। এখন কী কারণে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, এটা স্থায়ী সিদ্ধান্ত নাকি সাময়িক, সেটা সরকারি ব্যাপার। কিন্তু, আমি মনে করি, পর্যাপ্ত পর্যালোচনা না করেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পর্যালোচনা করলে হয়তো ফল অন্যরকম হতো’, বলেন তিনি।

দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের সঙ্গে তো সুশাসন বা ভোটের সম্পর্ক রয়েছে। এখন আমাদের দেশের সুশাসন ও ভোট নিয়ে তো প্রশ্ন রয়েছে। এ বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?, জানতে চাইলে সাবেক আইজিপি বলেন, ‘দেখুন, আমি মনে করি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো আছে। ২০০৩ বা ২০০৪ সালের মতো অবস্থাতো হয়নি। কাউন্সিলর ও সচিবদেরকে দেহরক্ষী দিতে হবে, এরকম পরিস্থিতি তো নেই। অপরাধ হবেই। এখন কথা হলো যখন অপরাধের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের কোনো সদস্য জড়িয়ে যায়, তখনই মানুষের মধ্যে আলোচনা বেশি আসে। একজন চোর বা ডাকাত যখন করে, তখন আলোচনায় আসে না। যেহেতু এখানে (ইউএনওর ওপর হামলার ঘটনায়) ক্ষমতাসীন দলের কথা চলে আসছে, তদন্ত করলে বোঝা যাবে যে আসলে তারা জড়িত কি না। তবে, মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। সরকার প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে এটা দেয়। এটাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। কিন্তু, ব্যক্তি পাহারার পক্ষে আমি না।’

সরকারি দলের লোকেরাই এ ধরনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত আমরা দেখেছি। এক্ষেত্রে দলীয় প্রশ্রয়ের বিষয় আছে বলে মনে করেন কি?, তিনি বলেন, ‘ঘটনা ঘটানোর পর তো দলীয় লোক সাপোর্ট দেয় না। তখন তো আইন আপন গতিতে চলে। মামলা হয়, গ্রেপ্তার হয়, চার্জশিট হয়। ওই সময় তো দলের লোকজন তাদের পক্ষে অবস্থান নেয় না। কিন্তু, যারা দুষ্ট প্রকৃতির লোক, তারা কীভাবে দলে ঢোকে, কার মাধ্যমে, কার আশীর্বাদে দলে ঢোকে, সেটা তো দেখা উচিত। সেটা তো যাচাই-বাছাই করে না। খারাপ লোকগুলোকে দলে ঢুকতে দেয় কেন? এবং ঢোকার পরে যখন তাদের গতিবিধি অন্যরকম দেখা যায়, দুই-একটা অপরাধ করে, তখনই তো সতর্ক হওয়া উচিত। তখনই তো তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বা বের করে দেওয়া, সেটা তো করা উচিত। সেটা না করে ঘটনা ঘটবে, তারপর তাদেরকে বহিষ্কার করা হবে, এটা হলে তো মুশকিল। দলের চেইন অব কমান্ড, সুপারভিশন, নেতাকর্মীদের সমন্ধে তদারকি করা, এগুলো তো নেই। যার কারণে এসব ঘটনা ঘটে।’

‘তাই যারা দলে ঢোকে তাদের সম্পর্কে যাচাই-বাছাই করা উচিত। তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা উচিত। যদি দেখা যায় ছোটখাটো কোনো অপরাধ করেছে, তখন সংশোধনের সুযোগ দেওয়া বা সংশোধন না হলে বের করে দেওয়া উচিত। যদি ছোটখাটো ঘটনা ঘটানোর পর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে তো বড় ধরনের ঘটনা ঘটত না। এই যে ইউএনওর ওপর হামলা হলো, অপরাধীদের কারো কারো বিরুদ্ধে নাকি অভিযোগ ছিল, স্থানীয় এমপিও আগেই নাকি কেন্দ্রীয় পর্যায়েও জানিয়েছিলেন। এখন এমপি যদি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিষয়টি জানায় এবং সেখান থেকে যদি বিষয়টি আমলে নেওয়া না হয়, তাহলে তো তারা প্রশ্রয় পাবেই। তারা তো দেখবে, এমপিও আমার কিছু করতে পারে না, নেতাও কিছু করতে পারে না। সে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যায়।’

এসব ঘটনার প্রতিকারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিকার তো এটাই যে কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, ছাড় দেওয়া হবেও না। এই বার্তাটিই তো বারবার দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীও দিচ্ছেন, সবাই দিচ্ছি। এরপরেও কেন আপরাধীদের ভেতর সুবুদ্ধির উদয় হয় না, এটাই সবচেয়ে দুঃখজনক। কিন্তু, এটাই অব্যাহত রাখতে হবে যে অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। পাশাপাশি সংগঠনের মধ্যে অভ্যন্তরীণ তদারকিটা বাড়াতে হবে। যাদের গতিবিধি ও কাজকর্ম আপত্তিকর, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ঘটনা ঘটলে নয়, ঘটার আগেই এই ব্যবস্থা করতে হবে। ১২ মাসই এটা করতে হবে।’

‘আর বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে। যেগুলো বড় ও স্পর্শকাতর ঘটনা, সেগুলোকে সাধারণ মামলার তালিকায় না এনে, আলাদা তালিকায় এনে এই বিচারগুলো আগে করা উচিত। এই ধরনের বিচারগুলোর কাজ দ্রুত করা উচিত’, যোগ করেন শহীদুল হক।

Comments

The Daily Star  | English
New School Curriculum: Implementation limps along

New School Curriculum: Implementation limps along

One and a half years after it was launched, implementation of the new curriculum at schools is still in a shambles as the authorities are yet to finalise a method of evaluating the students.

10h ago