শীর্ষ খবর

দুদকের মামলায় বদির বিচার শুরু

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকের করা মামলায় কক্সবাজার জেলা- ৪ আসনের (উখিয়া- টেকনাফ) সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বিচার শুরু হয়েছে।
bodi.jpg
আব্দুর রহমান বদি। স্টার ফাইল ফটো

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকের করা মামলায় কক্সবাজার জেলা- ৪ আসনের (উখিয়া- টেকনাফ) সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বিচার শুরু হয়েছে।

আজ রবিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইসমাইল হোসেনের আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন বদি।

আগামী ১৫ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে উল্লেখ করে দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমদ লাভলু দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘নানা কারণে আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলার বিচার শুরু বিলম্বিত হয়েছে। মামলার কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ চেয়ে  হাইকোর্ট এবং সুপ্রিমকোর্টে  রিটও করেছিলেন বদি। রিট ও আপিল পিটিশন উভয় আদালত দুদকের পক্ষে খারিজ করে দেন। অবশেষে আজ রোববার সেটি হয়ে গেল। এখন তার বিরুদ্ধে প্রথমে সাক্ষ্যগ্রহণ ও পরে যুক্তিতর্কের শুনানি হবে।’

৪৩ লাখ ৪৩ হাজার সম্পদের তথ্য গোপন ও ৬৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানায় বদির বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। দুদক চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক আবুল কালাম আজাদ এই মামলা করেন।

মামলার সময় আবদুর রহমান বদি টেকনাফ পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র ছিলেন।

আদালত ও দুদক সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত করেন দুদকের আরেক উপপরিচালক আলী আকবর। ২০০৮ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তিনি।

আবদুর রহমান বদি কক্সবাজার-৪ আসনের দুই বারের সংসদ সদস্য। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি তিনি। তার আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান ও নির্বাচিত হন তার স্ত্রী শাহীন আক্তার চৌধুরী।

মামলার বিচার শুরু হওয়া নিয়ে আবদুর রহমান বদি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে দুদকের আনা অভিযোগগুলো যে সত্য নয় তা আমি আদালতে আইনি প্রক্রিয়ায় প্রমাণ করব।’

Comments

The Daily Star  | English

Pm’s India Visit: Dhaka eyes fresh loans from Delhi

India may offer Bangladesh fresh loans under a new framework, as implementation of the projects under the existing loan programme is proving difficult due to some strict loan conditions.

3h ago