করোনাভাইরাস

ভারতে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৭৪৪৪২, মৃত্যু ৯০৩

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৭৪ হাজার ৪৪২ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৬৬ লাখ ২৩ হাজার ৮১৫ জনে দাঁড়াল। সংক্রমণের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে ভারতের অবস্থান বর্তমানে দ্বিতীয়তে।
মুম্বাইয়ে অ্যান্টিজেন কিট দিয়ে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। ৩ অক্টোবর ২০২০। ছবি: রয়টার্স

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৭৪ হাজার ৪৪২ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৬৬ লাখ ২৩ হাজার ৮১৫ জনে দাঁড়াল। সংক্রমণের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে ভারতের অবস্থান বর্তমানে দ্বিতীয়তে।

একই সময়ে মারা গেছেন আরও ৯০৩ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত দেশটিতে মৃত্যুবরণ করেছেন এক লাখ দুই হাজার ৬৮৫ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭৬ হাজার ৭৩৭ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৫ লাখ ৮৬ হাজার ৭০৩ জন। ভারতে মোট শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

আজ সোমবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। এরপর রয়েছে অন্ধ্র প্রদেশ, কর্ণাটক, তামিল নাড়ু, উত্তর প্রদেশ ও দিল্লিতে। দেশটিতে মোট শনাক্ত ৬৬ লাখ ২৩ হাজার ৮১৫ জনের মধ্যে বর্তমানে আক্রান্ত রয়েছেন নয় লাখ ৩৪ হাজার ৪২৭ জন।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নয় লাখ ৮৯ হাজার ৮৬০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আর এখন পর্যন্ত পরীক্ষা করা হয়েছে সাত কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার ৩৯৪টি নমুনা।

উল্লেখ্য, জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, সংক্রমণের দিক থেকে বর্তমানে বিশ্বে ভারতের অবস্থান দুই নম্বরে। ভারতের আগে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও পরে ব্রাজিল।

জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তিন কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ১৫২ জন এবং মারা গেছেন ১০ লাখ ৩৬ হাজার ১১১ জন। আর সুস্থ হয়েছেন দুই কোটি ৪৪ লাখ ২৯ হাজার ২৪ জন।

Comments

The Daily Star  | English
Tips and tricks to survive load-shedding

Load shedding may spike in summer

Power generation is not growing in line with the forecasted spike in demand in the coming months centring on warmer temperatures, the fasting month and the irrigation season, leaving people staring at frequent and extended power cuts.

11h ago