মেসি কী বলেছেন তার কিছুই বোঝেননি ডেস্ট

রোনালদিনহোকে আদর্শ মেনেই বড় হয়েছেন। একটু বড় হতেই লিওনেল মেসির খেলা দেখে মুগ্ধ হন। তারা দুইজনই বার্সেলোনার খেলোয়াড়। তাই স্বপ্ন ছিল একদিন বার্সেলোনায় খেলবেন। অবশেষে সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে সের্জিনো ডেস্টের। এরমধ্যেই কাতালান জার্সিতে অভিষেকও হয়েছে তার। খেলেছেন আবার সেই মেসির সতীর্থ হয়ে।
ছবি: বার্সেলোনা

রোনালদিনহোকে আদর্শ মেনেই বড় হয়েছেন। একটু বড় হতেই লিওনেল মেসির খেলা দেখে মুগ্ধ হন। তারা দুইজনই বার্সেলোনার খেলোয়াড়। তাই স্বপ্ন ছিল একদিন বার্সেলোনায় খেলবেন। অবশেষে সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে সের্জিনো ডেস্টের। এরমধ্যেই কাতালান জার্সিতে অভিষেকও হয়েছে তার। খেলেছেন আবার সেই মেসির সতীর্থ হয়ে।

গত সপ্তাহেই ২১ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে ডাচ ক্লাব আয়াক্স ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছেন ডেস্ট। সপ্তাহ না ঘুরতেই লা লিগায় অভিষেক হয়ে যায় তার।। সতীর্থ হিসেবে ম্যাচের দিনে মাঠে কথা হয় মেসির সঙ্গে। তাকে কিছু বোঝাতে চেয়েছিলেন এ আর্জেন্টাইন। কিন্তু তার কিছুই বুঝতে পারেননি এ মার্কিন তরুণ। তারপরও দারুণ উচ্ছ্বসিত এ তরুণ।

রোববার সেভিয়ার বিপক্ষে বার্সার জার্সি পরে প্রথম মাঠে নামেন ডেস্ট। রাইটব্যাক হলেও জর্দি আলবার ইনজুরির কারণে সে ম্যাচে লেফটব্যাক পজিশনেই খেলতে হয়েছে তাকে। অভিষেকটা অবশ্য বলার মতো ভালো হয়নি। টানা দুই ম্যাচ জয়ের পর সে ম্যাচে হোঁচট খেয়েছে তারা। তবে মেসির সতীর্থ হিসেবে খেলার স্বপ্নটা পূরণ হয়েছে তার।

মাঠে মেসির সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে ডাচ সংবাদমাধ্যম এনওএসকে বলেছেন, 'আজ (রোববার) আমি সবাইকে দেখলাম, মেসিকেও। মেসি ইংরেজি বলতে পারে না। তারপরও তার সঙ্গে দেখা করাটা আমার জন্য বিশেষ মুহূর্ত ছিল। যদি সত্যি বলি, সে কি বলেছে আমি কিছুই বুঝিনি। তবে আমরা দুই জনই হাসছিলাম। তাই আমি বুঝেছি সব ঠিক আছে। ঠিক?'

শুরুতে অবশ্য ডেস্টের জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন ছিল চড়া। তবে বার্সার আগ্রহে পরে চলে আসেন স্পেনে। তার কারণটাও জানিয়েছেন এ তরুণ, 'আমি বার্সেলোনা বেছে নিয়েছি কারণ আমি সবসময়ই বার্সেলোনায় খেলার স্বপ্ন দেখতাম। রোনালদিনহো আমার আদর্শ এবং সে এ ক্লাবের একজন কিংবদন্তি। যখন আমি বার্সার আগ্রহের কথা জানতে পারি, আমাকে দুইবার ভাবতে হয়নি।'

Comments

The Daily Star  | English

Peacekeepers can face non-deployment for rights abuse: UN

The UN peacekeepers can face non-deployment and even repatriation if the allegations of human rights against them are substantiated

34m ago