অসুস্থ বাবাই স্টোকসকে মন শক্ত করে খেলায় ফিরতে বলেন

আইপিএল খেলতে ক্রাইস্টচার্চ থেকে দুবাই উড়ে এসেছেন ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার। হোটেল কক্ষে ৬ দিনের কোয়ারেন্টিনে বসে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য মিররকে জানালেন, কতটা কঠিন ছিল তার এবার খেলতে আসা,
ben stokes
ছবি: এএফপি

বেশ কিছুদিন থেকেই দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত বেন স্টোকসের বাবা। ইংল্যান্ডের হয়ে দুটো সিরিজ থেকে তাই নিজেকে সরিয়ে লম্বা ছুটি নিয়ে নিউজিল্যান্ডে বাবার কাছে চলে গিয়েছিলেন তিনি। ক্রিকেট থেকে কঠিন সময়ে বাবার পাশে থাকাটাই তার কাছে মনে হয়েছে প্রধান দায়িত্ব। এ কারণে চলমান আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে তার খেলা নিয়েও জেগেছিল শঙ্কা। তবে তার বাবা জেরার্ড স্টোকসই ফের খেলায় পাঠিয়েছেন ছেলেকে।

আইপিএল খেলতে ক্রাইস্টচার্চ থেকে দুবাই উড়ে এসেছেন ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার। হোটেল কক্ষে ৬ দিনের কোয়ারেন্টিনে বসে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য মিররকে জানালেন, কতটা কঠিন ছিল তার এবার খেলতে আসা, ‘কোয়ারেন্টিনে হোটেল রুমে বসে ভাবছি, নিউজিল্যান্ডে থাকতে মনে হয়নি আমি আইপিএলে আসতে পারব। কিন্তু আমি এখানে এসেছি সব বিবেচনা করে। আমি ভাল অবস্থায় আছি।’

‘ক্রাইস্টচার্চ থেকে বাবা, মা আর ভাইয়ের কাছ থেকে বিদায় নেওয়া ছিল কঠিন। পরিবার হিসেবে আমাদের জন্য কঠিন সময়। কিন্তু আমরা সবাই একসঙ্গে ছিলাম এবং একে অন্যকে সমর্থন যুগিয়েছি।’

খেলায় ফিরবেন কীনা তা নিয়ে যখন কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারছিলেন না। আবেগের টানে বাবাকে ছেড়ে আসা যখন হয়ে পড়েছিল একেবারেই অসম্ভব। তখন তার বাবাই নাকি সিদ্ধান্তে আসার পথ করে দেন তাকে,  ‘আমার বাবা শক্তভাবে আমার সঙ্গে ছিলেন। তিনি আমাকে বুঝিয়েছেন, খেলাটাও আমার দায়িত্ব, সেই দায়িত্বও পালন করতে হবে। সেইসঙ্গে  বাবা এবং স্বামীর হিসেবেও আমার দায়িত্ব সমান। ‘

‘সিদ্ধান্তটা নেওয়ার পর বাবা-মায়ের ভালোবাসা নিয়েই আমি প্লেনে চড়তে পেরেছি। ’

গত অগাস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের পরই খেলার বাইরে চলে যান স্টোকস। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের বাকি অংশ ছাড়াও তাকে পাওয়া যায়নি টি-টোয়েন্টি সিরিজে। ছিলেন না অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজেও। পুরোটা সময় বাবাকে সময় দিয়েছেন স্টোকস। এই অবস্থায় বাবাকে ছেড়ে আসা তাই বেশ কঠিন। দীর্ঘ আলাপের পর সেই কঠিন সিদ্ধান্তে পৌঁছে উড়াল দিয়েছেন, মনকে এখন শতভাগ খেলায় রাখতে চান বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার,  ‘লম্বা সময় ধরে এটা নিয়ে আমরা আলাপ করেছি, পরে একটা সিদ্ধান্তে এসেছি। এখন আমি খেলায় মন দেব।’

স্টোকস আসায় শক্তি বাড়ল রাজস্থানের। স্টিভেন স্মিথের নেতৃত্বাধীন দলটি আছে উঠা-নামার মাঝে। ইংল্যান্ড জাতীয় দলের সতীর্থ জস বাটলার আর জোফরা আর্চারকেও এখানে পাচ্ছেন তিনি।

 

 

 

 

Comments

The Daily Star  | English
hostility against female students

The never-ending hostility against female students

What was intended to be a sanctuary for empowerment has morphed into a harrowing ordeal for many female students

17h ago