ফ্রান্সের জয়ে নায়ক এমবাপে

গত বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্টের লড়াইয়ে ফের শেষ হাসি হেসেছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স।
griezmann and mbappe
ছবি: রয়টার্স

ম্যাচের শুরুতেই আঁতোয়ান গ্রিজমানের লক্ষ্যভেদে এগিয়ে গেল ফ্রান্স। বিরতির পর ক্রোয়েশিয়ার নিকোলা ভ্লাসিচ নিশানা ভেদ করায় হলো কাটাকাটি। তবে নির্ধারিত সময়ের ১১ মিনিট বাকি থাকতে পার্থক্য গড়ে দিলেন কিলিয়ান এমবাপে। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল দিদিয়ের দেশামের দল।

বুধবার রাতে জাগরেবে উয়েফা নেশন্স লিগের ‘এ’ লিগের তিন নম্বর গ্রুপের ম্যাচে ২-১ গোলে জিতেছে সফরকারীরা। গত বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্টের লড়াইয়ে ফের শেষ হাসি হেসেছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। প্রথম পর্বে ঘরের মাঠে ৪-২ গোলে জিতেছিল তারা।

শুরুতেই ম্যাচের চালকের আসনে বসে গিয়ে ফ্রান্স লিড নেয় অষ্টম মিনিটে। ডি-বক্সের ভেতরে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের ক্রস বিপদমুক্ত করতে গিয়ে গড়বড় করে ফেলেন দোমাগোই ভিদা। বল পেয়ে যান ফাঁকায় দাঁড়ানো বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড গ্রিজমান। বাম পায়ের অসাধারণ শটে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।

পঞ্চদশ মিনিটে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ফরোয়ার্ড এমবাপে করেন অবিশ্বাস্য এক মিস। ফাঁকা জালে বল পাঠাতে ব্যর্থ হন তিনি। এরপর কিছুটা খেই হারায় ফরাসিরা। তাদের চেপে ধরে বেশ কিছু ভালো আক্রমণ শানায় স্বাগতিকরা।

৩০তম মিনিটে ইভান পেরিসিচের ক্রস ফ্রান্সের রক্ষণভাগ ঠিকভাবে সামলে নিতে না পারলে বল পেয়ে যান মারিও পাসালিচ। তার প্রথম শট ব্লক করেন ক্লেমোঁ লংলে, কিন্তু বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বলে আবার শট নেন পাসালিচ। এবার অসাধারণ দক্ষতায় তা ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক হুগো লরিস।

বিরতির আগে ছন্দে ফেরে ফ্রান্স। তবে ৪৫তম মিনিটে গ্রিজমানের ফ্রি-কিকে লংলের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে ব্যবধান বাড়ানো হয়নি তাদের।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ক্রোয়াটরা। সুফল তারা পায় ৬৪তম মিনিটে। জোসিপ ব্রেকালোর পাসে চমৎকার গোলে দলকে সমতায় ফেরান ভ্লাসিচ।

এরপর দুদলই খুঁজতে থাকে জয়ের রাস্তা। ৭৬তম মিনিটে গ্রিজমানের কর্নার স্বাগতিক রক্ষণভাগ বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে জটলার ভেতরে বল পেয়ে যান পল পগবা। তার গড়ানো শট পা দিয়ে রুখে দেন গোলরক্ষক দমিনিক লিভাকোভিচ।

তিন মিনিট পর আর হতাশ হতে হয়নি ফ্রান্সকে। বদলি ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়ের ক্রসে আলতো টোকায় জালের দেখা পান এমবাপে। এরপর সমতায় ফেরার ভালো কিছু সুযোগ পেয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু মাতেও কোভাচিচ ও আন্দ্রেই ক্রামারিচের প্রচেষ্টা প্রতিহত করেন লরিস।

গ্রুপের অন্য ম্যাচে সুইডেনকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। চার ম্যাচ শেষে পর্তুগাল ও ফ্রান্সের অর্জন সমান ১০ পয়েন্ট। গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে রয়েছে পর্তুগিজরা। ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ক্রোয়েশিয়া। গ্রুপের তলানিতে থাকা সুইডেনের পয়েন্ট শূন্য।

Comments