স্কোরবোর্ডে আরও কিছু রান দরকার ছিল: স্মিথ

নাস্তানাবুদ হওয়ার পর অবশ্য কোনো অজুহাত দেননি দলটির অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ।
smith
ছবি: টুইটার

আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে গেছে রাজস্থান রয়্যালস। নাস্তানাবুদ হওয়ার পর অবশ্য কোনো অজুহাত দেননি দলটির অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। স্কোরবোর্ডে আরও কিছু রানের ঘাটতির কথা অকপটে স্বীকার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা ব্যাটসম্যান।

বৃহস্পতিবার রাতে একপেশে লড়াইয়ে পাত্তাই পায়নি রাজস্থান। তাদের ছুঁড়ে দেওয়া ১৫৫ রানের লক্ষ্য ৮ উইকেট আর ১১ বল হাতে রেখে অনায়াসে পেরিয়ে যায় হায়দরাবাদ। শুরুতে জোড়া উইকেট হারানোর পর ১৪০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন মানিশ পাণ্ডে ও বিজয় শঙ্কর। দুজনেই তুলে নেন ফিফটি। ম্যাচসেরা মানিশের ব্যাট থেকে আসে ৪৭ বলে ৮৩ রান। শঙ্কর করেন ৫১ বলে ৫২।

দুবাইতে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রত্যাশিত ঝড় তুলতে পারেননি ধুঁকতে থাকা রাজস্থানের তারকারা। বেন স্টোকস ৩০ রান করতে খেলেন ৩২ বল। আরেক আক্রমণাত্মক ব্যাটার জস বাটলার খোলস ছেড়ে বের হওয়ার সুযোগ পাননি। তিনি ১২ বলে করেন ৯ রান। দলনেতা স্মিথও ছিলেন সাদামাটা। ১৫ বলে ১৯ রান আসে তার ব্যাট থেকে। শেষদিকে রিয়ান পরাগ ও জোফরা আর্চারের কল্যাণে রাজস্থান কোনোমতে পার হয় দেড়শ।

ম্যাচশেষে স্মিথ জানান, হায়দরাবাদকে চ্যালেঞ্জ জানাতে স্কোরবোর্ডে আরও কিছু রান দরকার ছিল তাদের। পাশাপাশি সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে উইকেট ব্যাটিং উপযোগী হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি, ‘শুরুতে এটা (উইকেট) ধীর গতির ছিল এবং বল দেরিতে আসছিল। এটা এমন ধরনের উইকেট যেখানে শুরু করাটা কঠিন। তবে আমাদের আরও কিছু রান লাগত।’

‘আমি কোনো কিছুর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলতে পারি না। এখানে ভালো ভালো দল ও খেলোয়াড়রা রয়েছেন। কিন্তু আমরা টানা দুটি জয় আদায় করে নিতে পারিনি।... আমাদের জিততে হবে। এটাই এখন আমাদের মূল কাজ।’

এবারের আসরের প্রথম দুই ম্যাচে জয়ের পর থেকে খাবি খাচ্ছে রাজস্থান। শেষ নয় ম্যাচের মাত্র দুটিতে জিতেছে তারা। ৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার সপ্তম স্থানে আছে দলটি। তাদের নিচে রয়েছে কেবল চেন্নাই সুপার কিংস।

Comments

The Daily Star  | English

Bangladeshi students terrified over attack on foreigners in Kyrgyzstan

Mobs attacked medical students, including Bangladeshis and Indians, in Kyrgyzstani capital Bishkek on Friday and now they are staying indoors fearing further attacks

6h ago