খেলা

পারফরম্যান্স দিয়ে বিসিবি সভাপতির সংশয় দূর করেছেন পেসাররা

করোনাভাইরাসের কারণে সাত মাসের স্থবিরতা কাটিয়ে খেলার অভ্যাসের জন্যই আয়োজন করা হয়েছিল প্রস্তুতিমূলক ওয়ানডে আসর। তা থেকে ব্যাটসম্যানরা হতাশা ছড়ালেও এক ঝাঁক পেসারের ছন্দে থাকা আশা যোগান দিচ্ছে বিসিবিকে।
Sumon Khan
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

আলোড়ন তুলে জাতীয় দলে এলেও ধারাবাহিকতার অভাবে ছিটকে গিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। তাকে নিয়ে  আশা কমে গিয়েছিল বিসিবি সভাপতির নাজমুল হাসানের মনেও। রুবেল হোসেন আর কতদিন খেলতে পারেন, তা নিয়েও ছিল নাকি সংশয়। প্রেসিডেন্ট’স কাপে রুবেল হয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরা বোলার, তাসকিন পেয়েছেন সেরা ‘কামব্যাক’ খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি। মোস্তাফিজুর রহমান, আল-আমিন হোসেন, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনও তাল মিলিয়ে ভাল করেছেন। নিজেকে চিনিয়েছেন তরুণ সুমন খান। বোর্ড প্রধান জানালেন, পারফরম্যান্স দিয়ে তাদের ধারনাও বদলে দিয়েছেন এরা।

করোনাভাইরাসের কারণে সাত মাসের স্থবিরতা কাটিয়ে খেলার অভ্যাসের জন্যই আয়োজন করা হয়েছিল প্রস্তুতিমূলক ওয়ানডে আসর। তা থেকে ব্যাটসম্যানরা হতাশা ছড়ালেও এক ঝাঁক পেসারের ছন্দে থাকা আশা যোগান দিচ্ছে বিসিবিকে।

Rubel Hossain
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

রোববার টুর্নামেন্টের ফাইনাল শেষে পেসারদের স্তুতি ঝরল বোর্ড সভাপতির কণ্ঠে,  ‘সবচেয়ে ভাল লেগেছে তাসকিন যেভাবে ফিরেছে। একটা সময় ভেবেছিলাম ও হয়ত আর জাতীয় দলে ফিরবেই না। কিন্তু ও খুব ভাল করেছে। রুবেল যাকে নিয়ে আমরা কী করব কী করব ভাবছি। কতদিন খেলবে, কী খেলবে না করছি। রুবেল দারুণ বল করেছে। শুধু তাই না, সুমন খান নামে নতুন ছেলে দেখছি। ইবাদত ভাল করেছে, আল-আমিন ভাল করেছে। এখানটায় আমরা বেশ কিছু খেলোয়াড় নিয়ে আমাদের যে সন্দেহ ছিল তা ভেঙ্গে গেছে। তারা ফিরেছে।’

Taskin Ahmed
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

ফাইনালে ৫ উইকেট নিয়ে মাহমুদউল্লাহ একাদশকে চ্যাম্পিয়ন করার নায়ক ৩৮ রানে ৫ উইকেট নেওয়া পেসার সুমন। টুর্নামেন্টে ৩ ম্যাচ খেলেই তিনি নিয়েছেন ৯ উইকেট। ১২ উইকেট নিয়ে সেরা হয়েছেন রুবেল। ফাইনালে না উঠলে ১২ উইকেট পেয়েছেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। তাকে অনুপ্রাণিত করতে বিশেষ একটি পুরস্কারও দেন বোর্ড প্রধান। এছাড়া দারুণ ধারাবাহিক বল করে প্রভাব বিস্তার করেছেন মোস্তাফিজ ও তাসকিন। নিয়েছেন ৮ ও ৭ উইকেট করে। আল-আমিনও ৮ উইকেট নিয়ে দেখিয়েছেন ছন্দ। ইবাদত হোসেন, আবু জায়েদ রাহি, শরিফুল ইসলাম বা মুকিদুল হাসান মুগ্ধরা অল্প সুযোগেও নিজেদের চিনিয়েছেন।

mohammad saifuddin
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

সব মিলিয়ে এতজন পেসারের জ্বলে উঠে বিসিবি সভাপতির কাছে ভীষণ স্বস্তি,  ‘পেস বোলিং আমাদের বড় দুর্বলতা ছিল। এই প্রথম একটা টুর্নামেন্ট দেখলাম যেখানে পেসাররা ভাল করেছে। শরিফুল ভাল করেছে। তারা এখনি জাতীয় দলে আসবে তা না । ওদেরকে যদি নার্চার করতে পারি তাহলে পেস বোলিংয়ে ভাল সম্ভাবনা আছে।’

‘আমাদের ভাল যারা আছে ত আছেই। নতুন আরও কিছু পেয়েছি।’

 

Comments