মৌসুমীর ২৭ বছরের অভিনয় জীবনের ৫ টার্নিং পয়েন্ট

ঢাকাই সিনেমার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র মৌসুমী। পুরো নাম আরিফা পারভীন জামান মৌসুমী। গত ২৫ মার্চ তার অভিনয় জীবনের ২৭ বছর পূর্ণ হয়েছে।
Keyamat Theke Keyamat
‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ এ মৌসুমি ও সালমান শাহ। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাই সিনেমার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র মৌসুমী। পুরো নাম আরিফা পারভীন জামান মৌসুমী। গত ২৫ মার্চ তার অভিনয় জীবনের ২৭ বছর পূর্ণ হয়েছে।

১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ এ প্রথম অভিনয় করেন মৌসুমি। এরপর প্রায় ২০০ সিনেমায়  অভিনয় করেছেন তিনি।

মৌসুমীর উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে: ‘দোলা’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘বিশ্বপ্রেমিক’, ‘গরীবের রাণী’, ‘মোল্লা বাড়ির বউ’, ‘এক কাপ চা’, ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’, ‘আম্মাজান’, ‘মেঘলা আকাশ’, ‘লুটতরাজ’, ‘রাজু মাস্তান’, ‘স্বামী ছিনতাই’, ‘জীবনের গল্প’, ‘বীর সৈনিক’, ‘তাঁরকাটা’, ‘দেবদাস’ ও ‘খায়রুন সুন্দরী’।

প্রিয়দর্শিনী অভিনেত্রী মৌসুমী ১৯৯৫ সালের ২ আগস্ট ভালোবেসে বিয়ে করেন চিত্রনায়ক ওমর সানীকে। তাদের এক ছেলে ফারদিন ও এক মেয়ে ফাইজাহ।

আজ ৩ নভেম্বর এই অভিনেত্রীর জন্মদিন। খুলনায় জন্ম নেওয়া এই  অভিনেত্রী তিন বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি তার ২৭ বছরের অভিনয় জীবনের পাঁচ টার্নিং পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছেন দ্য ডেইলি স্টার অনলাইনের সঙ্গে।

বলেন, ‘প্রথম অভিনীত “কেয়ামত থেকে কেয়ামত” হলো প্রথম টার্নিং পয়েণ্ট। এই ছবিতে রেশমী চরিত্রে অভিনয় করে প্রথম রূপালি পর্দায় আমার অভিষেক হয়। প্রয়াত সালমান শাহ ছিলেন আমার বিপরীতে। ছবিটি পরিচালনা করেন সোহানুর রহমান সোহান।’

আনন্দ বিচিত্রা ফটো সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটা অধ্যায়। ১৯৯২ সালে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছিলাম।’ এই প্রসঙ্গে সাপ্তাহিক বিচিত্রার প্রয়াত সম্পাদক শাহাদত চৌধুরীর কথাও স্মরণ করেন তিনি।

‘দিলীপসোম পরিচালিত “দোলা” ছবিতে অভিনয় আমার ক্যারিয়ারে আরেকটি উল্লেখ্যোগ্য ঘটনা। চিত্রনায়ক ওমর সানীর সঙ্গে এই ছবিতে প্রথম অভিনয় করেছিলাম। “দোলা”র পর পরিচালকদের পছন্দের তালিকার প্রথমে চলে আসে আমার নাম।’

‘অভিনয়ের পাশাপাশি ১৯৯৬ সালে ‘গরীবের রাণী’ ছবির মাধ্যমে সিনেমা প্রযোজনায় শুরু হয় আমার। আমি সিনেমা নিয়ে ভেবেছি ও ভাবি বলেই প্রযোজনায় এসেছি। এরপর বেশ কয়েকটি ছবি প্রযোজনা করেছি।’

‘২০০৩ সালে ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ ছবির মাধ্যমে আমার সিনেমা পরিচালনা শুরু হয়। এটা ছিল আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ যাত্রা। এরপর ২০০৫ সালে “মেহের নিগার” নামে সিনেমা পরিচালনা করি। আরও কয়েকটি সিনেমা পরিচালনার ইচ্ছা আমার রয়েছে।’

Comments