সেই ঘটনায় মেসিকে খোলা দরজা দেখিয়ে দিয়েছিলেন সেতিয়েন

গত মৌসুমে সেলতা ভিগোর বিপক্ষে ম্যাচের ঘটনা। দ্বিতীয় কুলিং ব্রেকের সময় দলের অন্যতম সিনিয়র খেলোয়াড় লুইস সুয়ারেজ ও অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে কিছু একটা নির্দেশনা দিতে চেয়েছিলেন কিকে সেতিয়েনের সহকারী এদের সারাবিয়া। কিন্তু তিনি তাদের সামনে আসা মাত্র সেখান থেকে চলে যান বার্সা অধিনায়ক। পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এ দৃশ্য।

গত মৌসুমে সেলতা ভিগোর বিপক্ষে ম্যাচের ঘটনা। দ্বিতীয় কুলিং ব্রেকের সময় দলের অন্যতম সিনিয়র খেলোয়াড় লুইস সুয়ারেজ ও অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে কিছু একটা নির্দেশনা দিতে চেয়েছিলেন কিকে সেতিয়েনের সহকারী এদের সারাবিয়া। কিন্তু তিনি তাদের সামনে আসা মাত্র সেখান থেকে চলে যান বার্সা অধিনায়ক। পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এ দৃশ্য।

এ নিয়ে তখন ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করে। সেতিয়েন অবশ্য সেদিনই সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে পড়েছিলেন। কিন্তু সে ঘটনার কিছুই জানেন না বলে এড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে সম্প্রতি এর ব্যাখ্যা দিয়েছে স্প্যানিশ রেডিও স্টেশন কাদেনাসেরের একটি প্রোগ্রাম কে থি হুগেস।

'যদি আমার কথা পছন্দ না হয়, তাহলে দরজা খোলা আছে।' সেতিয়েন সেদিন মেসিকে এমনটাই বলেছিলেন বলে দাবি করে রেডিও স্টেশনটি।

মূলত বার্সার খেলোয়াড়দের সঙ্গে একটু উঁচু গলায় কথা বলেছিলেন সেতিয়েন ও তার সহকারী এদের সারাবিয়া। ম্যাচে বাজে খেলার দায় সিনিয়র খেলোয়াড়দের দিচ্ছিলেন তারা। সে বিষয়টি মানতে পারেননি মেসি। প্রতিবাদ করায় সেতিয়েনের কাছ থেকে এমন উত্তর পেয়েছিলেন মেসি।

রেডিও স্টেশনের দাবি অনুযায়ী, মেসি সেদিন সেতিয়েনকে দলের সব খেলোয়াড়দের শ্রদ্ধা করতে বলেছিলেন। জানিয়ে দিয়েছিলেন, এই সব খেলোয়াড়ই সব কিছু জয় করেছে। পাশাপাশি এ সকল খেলোয়াড়দের রেকর্ড সেতিয়েনের চেয়ে ভালো তা মনে করিয়ে দেন বার্সা অধিনায়ক। আর এ বিষয়টি সহজ করতে পারেননি সেতিয়েন। উত্তরে মেসিকে দরজা দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি। এরপর মেসি উত্তরে কিছু বলেননি। মৃদু হেসে সে স্থান ত্যাগ করেছেন।

অথচ দুদিন আগেই স্প্যানিশ গণমাধ্যম এল পাইসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেতিয়েন বলেছিলেন, 'বার্সেলোনায় আমি নিজের মতো করে থাকতে পারিনি… লিওকে সামলানো কঠিন। তারা (বার্সা) যেখানে এত বছর ধরে তাকে তার মতো করে গ্রহণ করেছে এবং বদলাতে চায়নি, সেখানে আমি তাকে পাল্টানোর কে!' বুঝিয়ে দিয়েছিলেন বার্সায় নিজের মতো করে কাজ করতে পারেননি সেতিয়েন।

Comments

The Daily Star  | English

Personal data up for sale online!

A section of government officials are selling citizens’ NID card and phone call details through hundreds of Facebook, Telegram, and WhatsApp groups, the National Telecommunication Monitoring Center has found.

1h ago