ইউরোপে করোনায় প্রতি ১৭ সেকেন্ডে ১ জনের মৃত্যু: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ইউরোপের ৫৩টি দেশে চলতি মাসে ৩ লাখ ৫৫ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন চার মিলিয়নেরও বেশি মানুষ।
ছবি: রয়টার্স

করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ইউরোপের ৫৩টি দেশে চলতি মাসে ৩ লাখ ৫৫ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন চার মিলিয়নেরও বেশি মানুষ।

ইউরোপে প্রতি ১৭ সেকেন্ডে একজন মানুষ করোনায় মারা যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ইউরোপীয় অঞ্চলের পরিচালক হ্যানস ক্লুজ।

আজ শুক্রবার দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়।

ইউরোপের দেশগুলোর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বর্তমানে মারাত্মক চাপের মুখে আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ক্লুজ জানান, টানা গত দশ দিন ধরে ফ্রান্সের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) ৯৫ শতাংশের বেশি পূর্ণ আছে। অন্যদিকে, সুইজারল্যান্ডের শতভাগ আইসিইউ বেড পূর্ণ হয়ে গেছে।

তবে, বর্তমানে সরকারি বিধিনিষেধের কারণে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা গত সপ্তাহে ২০ লাখ থেকে কমে ১৮ লাখে দাঁড়িয়েছে বলে জানান তিনি।

ক্লুজ বলেন, ‘ভাইরাসটি দুর্বল মানুষের ওপর বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে, সন্দেহজনক পরিস্থিতি কিংবা সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করলে এটা আরও মারাত্মক হয়ে উঠবে।’

করোনার দুটি ভ্যাকসিন কার্যকর হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভ্যাকসিন কোভিড-১৯ সম্পূর্ণ থামাতে পারবে না, আর আমাদের সব প্রশ্নের জবাবও দিতে পারবে না। তবে, ভ্যাকসিন ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি ইতিবাচক আশা জাগিয়েছে।’

তিনি জানান, মানসিক স্বাস্থ্য, পারিবারিক সহিংসতা, অর্থনীতির কথা বিবেচনা করে ডব্লিউএইচও বিশ্বাস করে কঠোর লকডাউন শেষ উদ্যোগ হওয়া উচিত। মাস্কের ব্যবহার ৯৫ ভাগ কার্যকর করা গেলে লকডাউনের বিশেষ প্রয়োজন হয় না বলে জানান তিনি।

সাম্প্রতিক লকডাউনেও বেশিরভাগ ইউরোপীয় দেশে স্কুল খোলা রাখার প্রতি ইঙ্গিত করে ডব্লিউএইচও কর্মকর্তা ক্লুজ বলেন, ‘শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি কম। তাই, করোনা নিয়ন্ত্রণের জন্য স্কুল বন্ধ করা তেমন কার্যকর হবে না।’

স্কুল বন্ধ করার আগে শিশুদের মানসিক ও সামাজিক সুস্থতার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।

Comments

The Daily Star  | English

Bheem finds business in dried fish

Instead of trying his luck in other profession, Bheem Kumar turned to dried fish production and quickly changed his fortune.

54m ago